এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে একজন ব্যক্তি ও দুই সংস্থাকে। বেলারুশের মানবাধিকার আইনজীবী অ্যালেস বিয়ালিয়াতস্কি এই পুরস্কার পেলেন রাশিয়ার মানবাধিকার সংস্থা মেমোরিয়াল এবং ইউক্রেনীয় মানবাধিকার সংস্থা সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজের সঙ্গে।
শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর তিনটায় এ পুরস্কার ঘােষণা করা হয়।
তিন বিজয়ী পুরস্কারের প্রাইজমানি সমান তিন ভাগে ভাগ করে নেবেন।
আলেস বিয়ালিয়াতস্কি বেলারুশের একজন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী। তিনি বর্তমানে বিনা বিচারে কারাগারে আটক রয়েছেন।
৬০ বছর বয়সী বিয়ালিয়াতস্কি বেলারুশের ভিয়াসনা (বসন্ত) মানবাধিকার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৯৬ সালের গণবিক্ষোভের বিরুদ্ধে বেলারুশের স্বৈরাচারী নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর নৃশংস দমন অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ভিয়াসনা কারাবন্দী বিক্ষোভকারী ও তাদের পরিবারকে সহায়তা দেয় এবং রাজনৈতিক বন্দীদের ওপর বেলারুশ সরকারের নির্যাতনের ঘটনা নথিবদ্ধ করে।
রাশিয়ার ‘মেমোরিয়াল’ সংগঠনটি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সোভিয়েত আমলের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকারদের পরিণতি জানতে অনুসন্ধান চালিয়েছে। রাশিয়ার বর্তমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলোও তুলে ধরছে এটি।
সংগঠনটিকে রুশ সরকার প্রথমে ২০০৬ সালে সতর্ক করে দিয়েছিল। ২০১৪ সালে একে ‘বিদেশি এজেন্টদের’ তালিকায় তোলা হয়। রাশিয়ার সরকারের দাবি, কথিত ওই এজেন্টরা হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তি যারা বিদেশ থেকে তহবিল পায়।
ইউক্রেনে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে কিয়েভে ’সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সংগঠনটি ইউক্রেনীয় নাগরিক সমাজকে শক্তিশালী করা এবং ইউক্রেনকে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত করার জন্য সরকারকে চাপ দিয়ে আসছে।
তাদের পুরস্কৃত করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে গিয়ে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান বেরিট রাইস-এন্ডারসেন বলেন, ‘শান্তি পুরস্কার বিজয়ীরা নিজ নিজ দেশে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁরা বহু বছর ধরে ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার পক্ষে কাজ করছেন। তারা যুদ্ধাপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য নথিভুক্ত করার জন্য অসামান্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছেন। একইসাথে তারা শান্তি ও গণতন্ত্রের জন্য নাগরিক সমাজকে পথ প্রদর্শন করেছেন।ন











































