সংগৃহীত ছবি
ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন সীমা) বাতিলের পর থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের শেয়ারবাজার। আজ সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেড়েছে সব সূচকের মান। পাশাপাশি লেনদেন বেড়েছে উভয় শেয়ারবাজারেই।
একই সঙ্গে গতকাল ডিএসইতে সব কটি সূচকের মান বেড়েছে।
প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪১.৮৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩২২.৫৯ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৮.৫৫ পয়েন্ট ও ডিএসইএস সূচক ৫.৫৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে যথাক্রমে ২ হাজার ১৩৩.২৪ পয়েন্ট ও ১ হাজার ৩৭৬.৬৪ পয়েন্টে।
ডিএসইতে এদিন বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। এদিন লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার।
আর গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৫৮০.৪০ লাখ টাকার শেয়ার।
এ ছাড়া গতকাল ডিএসইতে ৩৯৫টি কম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬১টি কম্পানির, কমেছে ৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কম্পানির শেয়ারের দাম।
অন্যদিকে দেশের অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতেও এদিন বেড়েছে সব সূচকের মান।
গতকাল সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮৭.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩২.২৩ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএসসিএক্স সূচক ১১১.৪৯ পয়েন্ট ও সিএসই-৫০ সূচক ৯.৬৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০ হাজার ৭৯৪.৭৩ পয়েন্টে ও ১ হাজার ২৭৩.২৩ পয়েন্টে।
আর সিএসই-৩০ সূচক ৬৭.১৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৭৭.১১ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএসআই সূচক অবস্থান করছে ১ হাজার ১৫৭.৫৮ পয়েন্টে। সূচক বেড়েছে ৭.৮৫ পয়েন্ট।
এদিকে সোমবার সিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার। আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৮ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন বেড়েছে ৫২ লাখ টাকা।










































