তাইওয়ান ও রাশিয়ার পতাকা উড়ছে। ছবি : সংগৃহীত
তাইওয়ানের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বলেছে, দেশটি তার উচ্চ প্রযুক্তির পণ্যগুলোকে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখতে রাশিয়া ও তার মিত্র বেলারুশের জন্য নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা প্রসারিত করেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রয়টার্স মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, তাইওয়ান রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা করেছে এবং ইতিমধ্যে পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন নিষেধাজ্ঞার প্রচেষ্টায় যোগ দিয়েছে।
যদিও পদক্ষেপগুলো মূলত প্রতীকী। কারণ তাইপে ও মস্কোর মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যের পরিমাণ কম।
রয়টার্স জানিয়েছে, সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার দফা ঘোষণা করে তাইপের মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পূরণ করতে এবং সামরিক উদ্দেশ্যে আমাদের উচ্চ প্রযুক্তির পণ্য রপ্তানি রোধ করতে’ এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তালিকায় সেমিকন্ডাক্টর তৈরির সরঞ্জাম রয়েছে, যার উৎপাদনে তাইওয়ান বিশ্বে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে।
সেই সঙ্গে কিছু রাসায়নিক এবং ওষুধ ইতিমধ্যে চিপ শিল্পকে লক্ষ্য করা আগের ঘোষণায় যোগ করা হয়েছে। নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য দেশগুলোর ইতিমধ্যে ঘোষিত নিষেধাজ্ঞাগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যরা সম্প্রতি ইউক্রেনীয় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করেছে এবং ইলেকট্রনিক ও যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ এবং সরঞ্জামগুলোর একটি ‘সাধারণ উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকা’ তৈরি করেছে, যা বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ ছাড়া রপ্তানি লাইসেন্সের আবেদন ‘নীতিগতভাবে’ অনুমোদন করা হবে না বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
রয়টার্স বলছে, ইউক্রেনের দুর্দশা তাইওয়ানের জনগণের ব্যাপক সহানুভূতি অর্জন করেছে। কারণ ইউক্রেনে যা ঘটছে এবং চীন যদি কখনো তাইওয়ানকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিজস্ব অঞ্চল দাবি করে তাহলে কী ঘটতে পারে তার সঙ্গে তাইওয়ানের অনেকে তুলনা করছে।









































