জেফার রহমান। ছবি: সংগৃহীত
রোনালদিনহোর সঙ্গে সময় কেমন কাটল?
দারুণ। ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তি আমারও প্রিয় খেলোয়াড়। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁকে নিয়ে আয়োজন করা হয় ‘ম্যাজিক্যাল নাইট উইথ রোনালদিনহো’। সেখানে শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’, ‘লা লা লা’ ও নিজের ‘ঝুমকা’সহ কয়েকটি গান পরিবেশন করেছি।
মঞ্চে ওঠার আগে রোনালদিনহোর সঙ্গে ছবি তুলি। তাঁকে তখন বলি, এ অনুষ্ঠানে আমি পারফরম করব। তিনি বাহবা দিলেন। অল্প সময়ের হলেও সাক্ষাত্টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘লাস্ট ডিফেন্ডার অব মনোগামী’তে অভিনয় করলেন। অভিনয়ে আসার পর নিজের মধ্যে কী কী পরিবর্তন লক্ষ করলেন?
সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা এসেছে আমার লুকে। সবাই আমার লুক এতই পছন্দ করল যে আমিও চুলের নতুন স্টাইলটা রেখে দিলাম। তবে চুলের পরিবর্তন এনেছিলাম এ বছরের শুরুতে, গ্র্যামিতে অংশ নেওয়ার সময়।
চুল খুলে শাড়ি পরে গিয়েছিলাম। ফারুকী ভাই এই লুকেই অভিনয় করালেন। এখন নতুন লুকে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
অভিনয়ে নিয়মিত হবেন?
অভিনয়ের প্রস্তাব আগে থেকেই পাচ্ছিলাম। চেয়েছি মিউজিকে নিজের একটা অবস্থান আগে তৈরি করি।
ফারুকী ভাই সঠিক সময়েই আমাকে অ্যাপ্রোচ করেন। নিজে থেকেই ভাবছিলাম অভিনয় করার কথা। তা ছাড়া ফারুকী ভাইয়ের মতো গুণী নির্মাতার কাছ থেকে প্রস্তাব এলে ভাবনা-চিন্তা করার কিছু থাকে না। চরিত্রের জন্য ফারুকী ভাই নিজেই আমাকে প্রস্তুত করেছেন—লুক টেস্ট, গ্রুমিং। লুক প্রকাশিত হওয়ার পর বেশির ভাগ মানুষই প্রশংসা করেছেন। আমার সঙ্গে চঞ্চল ভাই, ইউনিক কাস্টিং। সামনে আরো অভিনয় করতে চাই। এক্সক্লুসিভ প্রস্তাব পেলেই আবার অভিনয় করব।
‘মনোগামী’ ছবিতে আপনার চরিত্রটা কেমন?
খুবই গ্রে একটা চরিত্র। সিনেমায় কিছু মনস্তাত্ত্বিক দিক আছে, যা দর্শককে ভাবাবে। শুটিংয়ের প্রথম দিকে একটু নার্ভাস ছিলাম। ফারুকী ভাই আর চঞ্চল চৌধুরী আমাকে সহজ করে নিয়েছেন।
গানের নতুন কোনো খবর আছে?
বছরের শেষ ভাগে একটি গানের ভিডিও চিত্র প্রকাশ করার পরিকল্পনা আছে। খুব পরিকল্পনা করে আসলে আমার কিছু হয় না। ‘ঝুমকা’ রিলিজের পরই ‘মনোগামী’র শুটিং করি। করোনার সময় নিজের মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে, ‘ঝুমকা’ গানটি যার রিফ্লেকশন। মানুষ খুব পছন্দ করেছে গানটি। মিউজিক্যালি বা সাউন্ডে আর কী করতে পারি সেটা দেখছি ও ভাবছি।











































