চলমান ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টেস্ট ম্যাচের দুই দিনের মধ্যেই ২৬ উইকেট পড়ার পরই ইডেন গার্ডেন্সের পিচের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের সাবেক অফ স্পিনার হরভজন সিং।
তৃতীয় দিনের সকালে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫৩ রানে অলআউট হয়, ফলে ভারতের সামনে দাঁড়ায় ১২৩ রানের সহজ লক্ষ্য। তবে সেই সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত প্রথমেই দুই উইকেট হারায়। ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল শূন্য রানে আউট হন, আর লোকেশ রাহুলও মাত্র এক রানে ফেরেন।
এছাড়া ঘাড়ের চোটের কারণে চলমান টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন অধিনায়ক শুভমান গিল।
২০০১ সালের বিখ্যাত ইডেন গার্ডেন টেস্টে ১৩ উইকেট শিকার করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী হরভজন বলেন, ‘এ ধরনের পিচ টেস্ট ক্রিকেটের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই খেলা, যা ধৈর্য ও কৌশলের ওপর নির্ভর করে, সেখানে এমন পিচে ব্যাটসম্যানরা টিকে থাকতে পারছে না।’
হরভজন তার ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, ‘মাত্র দুই দিন বাকি আছে এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি খেলা কোন দিকে যাচ্ছে।তারা টেস্ট ক্রিকেটকে শেষ করে। এমন পিচে ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার বা বিরাট কোহলির মতো খেলোয়াড়রাও টিকে থাকতে পারতেন না। পিচটাই সব কৌশলকে অকার্যকর করে দিচ্ছে।’
হরভজন নিশ্চিত করেছেন যে এমনকি ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটিং তারকা শচীন টেন্ডুলকার এবং বিরাট কোহলিরও মাঠের পরিস্থিতি মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে পড়ত।ম্যাচের দুই ইনিংস মিলে দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ফিফটির দেখা পেয়েছেন টেম্বা বাভুমা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৫ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
হরভজন বলেন, ‘এই পিচটা এমন, এখানে বল মারলেই অন্য কোথাও ঘুরতে থাকে। ব্যাটসম্যানরা খুব একটা জানে না কী করতে হবে। বিরাট কোহলি এবং শচীন টেন্ডুলকারের মতো খেলোয়াড়রাও এই ধরনের পিচে টিকে থাকতে পারে না কারণ একটা বল নিচু থাকবে, অতিরিক্ত বাউন্স করবে অথবা উইকেট নেওয়ার জন্য খারাপভাবে টার্ন করবে।
তাই, কৌশলটি কাজে আসছে না, শুধু পিচটিই কাজে আসছে।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘এটা বছরের পর বছর ধরেই ঘটছে। আমি যখন এটা নিয়ে কথা বলি, তখন মানুষ আমাকে বলে কেন তুমি এগুলো নিয়ে কথা বলো। আমার মনে হয় না আমরা এমন অপ্রস্তুত পরিস্থিতি দেখেছি। এটা ঠিক পথে এগোচ্ছে না। এটা দেখতে খুবই দুঃখজনক, একেবারেই বোকামি। তারা খেলাটাকে মজা করছে।’










































