চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ঘেরাও এবং দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। অভিযুক্ত যুবক মনিকে পুলিশ নিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় স্থানীয়রা। তারা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে বাধে সংঘর্ষ। একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের একটি এলাকায় স্থানীয়রা শিশু ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এ সময় গুলিতে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হন। এ ছাড়া থেমে থেমে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে র্যাব ও আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকসহ অন্যদের খোঁজখবর নেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।











































