আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ প্রত্যাখ্যান করল ইসরায়েল

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় সামরিক অভিযান স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে যে রায় দিয়েছে জাতিসংঘভিত্তিক আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত তা প্রত্যাখ্যান করেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরাইলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, গাজায় ক্ষমতাসীন সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংস করা এবং গোষ্ঠীটির কব্জায় থাকা জিম্মিদের উদ্ধারে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় হামাস-ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ বাঁধার প্রায় দু’মাস পর গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে আদালতে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মামলার কার্যক্রমের মধ্যেই রাফায় অভিযান স্থগিতের আর্জি জানিয়ে আবেদন করেছিল বাদিপক্ষ। সেই আবেদনের জবাবে শুক্রবার রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ দিয়ে রায় দেন আদালত।

শুক্রবার জাতিসংঘ আদালতের এই রায়ের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই রায়কে ‘ভুয়া, ভয়ানক এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থী’উল্লেখ করে বলা হয়, ‘প্রত্যেক দেশেরই আন্তর্জাতিক আইন ও মূল্যবোধ অনুসরণের ভিত্তিতে নিজেদের নাগরিক ও সীমানা রক্ষার অধিকার রয়েছে এবং ইসরায়েল ঠিক তা ই করছে।’

লোকসভা নির্বাচন: ষষ্ঠ দফায় ভোটগ্রহণ চলছে

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘রাফার বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়িয়ে সেখানে অভিযান চালাতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য সেখানকার শত্রæ ঘাঁটিগুলোতে অভিযান চালানো। বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ক্ষতিসাধন নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতামার বেন-গিভির, যিনি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিশেষ আস্থাভাজন এবং ইসরায়েলে ক্ষমতাসীন জোট সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শরিক রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা জাতিসংঘ আদালতের রায়কে সরকারি প্রত্যাখান করেছেন। শুক্রবার আদালতের রায়ের পর ইসরায়েলের ফার্স্ট প্রাইম মিনিস্টার ডেভিড বেন গুরিয়ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় বলেছেন, ‘ইহুদিদের ভবিষ্যত ইহুদিদের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে। অ-ইহুদিদের সিদ্ধান্তের ওপর নয়।’

যাযাদি/ এসএম

facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button

LEAVE A REPLY