রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর রাতেই ঘটতে চলেছে বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। ছবি: সংগৃহীত
আগামী রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর রাতেই ঘটতে চলেছে বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে এবং তৈরি হয় এই গ্রহণ। এ সময় চাঁদ লালচে রঙ ধারণ করে, যাকে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’।
গ্রহণের সময়কাল
৭ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ভোর পর্যন্ত চলবে এই চন্দ্রগ্রহণ। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৮ মিনিটে শুরু হয়ে রাত ২টা ২৫ মিনিটে শেষ হবে। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ১ ঘণ্টা ২২ মিনিট ধরে স্পষ্ট দেখা যাবে রক্তিম চাঁদ।
টাইফুন কাজিকি: ভিয়েতনাম থেকে সরানো হচ্ছে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ
এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রহণটি দেখা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সব শহর থেকেই আকাশ পরিষ্কার থাকলে দৃশ্যমান হবে এই চন্দ্রগ্রহণ। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, পুণে, লখনউ, হায়দরাবাদ ও চণ্ডীগড়ের মতো শহর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কেন লাল হয় চাঁদ?
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছায় না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (নীল ও বেগুনি) আলো শোষণ করে নেয়, আর দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (লাল ও কমলা) আলো চাঁদে পৌঁছায়। তাই এই সময়ে চাঁদ রক্তিম আভা ধারণ করে।
বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব
জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতে এত দীর্ঘ সময় ধরে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সাম্প্রতিক কালে বিরল। এই সময়ে চাঁদের হাজারো ছবি তোলা হবে গবেষণার জন্য। বৈজ্ঞানিকদের ধারণা সাধারণত চাঁদের গায়ে উল্কা আছড়ে পড়লেও আলোর কারণে তা চোখে পড়ে না। কিন্তু পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় তা দেখা গেলে গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।










































