কামিন্সের পর বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন হ্যাজলউড

জশ হ্যাজলউড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে আরো বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা জশ হ্যাজলউড। এর আগে ইনজুরির কারণে দল হারিয়েছে আরেক তারকা পেসার প্যাট কামিন্সকেও। ফলে ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়নরা বিশ্বকাপে নামছে মারাত্মকভাবে দুর্বল পেস আক্রমণ নিয়ে।

অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান টড ডোডেমাইড জানান, ‘আমরা আশা করেছিলাম সুপার এইট পর্বের সময় হ্যাজলউড ম্যাচ ফিট হয়ে উঠবে। কিন্তু সর্বশেষ মেডিক্যাল আপডেটে দেখা যাচ্ছে, সে এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হতে সময় নেবে। জোর করে ফিরিয়ে আনলে ইনজুরির ঝুঁকি অনেক বেশি।’

এই অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে আপাতত কোনো বিকল্প খেলোয়াড় যুক্ত করা হচ্ছে না।

যদিও সিমিং অলরাউন্ডার শন অ্যাবট দলটির সঙ্গে ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে রয়েছেন। নির্বাচকদের মতে, প্রাথমিক ম্যাচগুলোর জন্য বর্তমান দলই যথেষ্ট।

হ্যাজলউড ও কামিন্সের অনুপস্থিতির পাশাপাশি আগেই টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ফলে মার্চ ২০১১-এর পর এই প্রথম কোনো বড় আইসিসি টুর্নামেন্টে এই তিন পেসারকে একসঙ্গে পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া।

তবে দলের অধিনায়ক মিচেল মার্শ স্কোয়াডের গভীরতা নিয়ে আশাবাদী। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় হওয়ায় স্পিন আক্রমণেই বেশি ভরসা রাখছে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাথিউ কুনেমান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও অ্যাডাম জাম্পার নেতৃত্বে শক্তিশালী স্পিন ইউনিট গড়ে তুলেছে দলটি।

মার্শ বলেন, ‘আমাদের দলে ভালো গভীরতা রয়েছে। যারা সুযোগ পাবে, তারা আগে থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে।

কন্ডিশন বুঝে আমরা সেরা একাদশ নামাব।’

১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান। ইনজুরি-সংকট সত্ত্বেও স্পিন নির্ভর পরিকল্পনায় কতটা সফল হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

LEAVE A REPLY