ছবি : রয়টার্স
তাইওয়ানকে আবারও বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন (ডব্লিউএইচএ) থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। চীনের চাপের কারণে টানা দশম বছর তাইওয়ানকে এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।দ্য তাইপেই টাইমসের প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।
দ্য তাইপেই টাইমসের তথ্যমতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা ৭৯তম ডব্লিউএইচএ জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং বলেছেন, তাইপে এই অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য কোনো আমন্ত্রণ পায়নি এবং এই ক্রমাগত এ ঘটনার জন্য তিনি চীনের রাজনৈতিক চাপকে দায়ী করেছেন।
তাইওয়ান দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন (ডব্লিউএইচও) থেকে তাদের বাদ দেওয়া বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সহযোগিতাকে দুর্বল করছে।তাদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী কাজে লাগতে পারত।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেলেও, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে তাইওয়ানের অংশগ্রহণের পক্ষে তারা আবারও সমর্থন জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেছেন, তাইওয়ানের জ্ঞান ও সম্পদ বৈশ্বিক বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন।তিনি সংস্থাটির কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। এ ছাড়া সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুসকে কোভিড-১৯ মহামারি ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা এবং চীনের প্রভাবের অধীনে কাজ করার অভিযোগ করেন।
ট্রাম্প আরো অভিযোগ করেন, সংস্থাটিতে দুর্নীতি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশের তুলনায় বেশি অর্থ দিয়ে আসছে। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।
ইউরোপীয় বাহ্যিক কার্যক্রম পরিষেবা-এর একজন মুখপাত্র বলেন, যখনই নিয়ম ও কাঠামো অনুমতি দেবে, তখন তাইওয়ানকে আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
দ্য তাইপেই টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন ঘোষণা করেছেন, বেইজিং তার ‘এক চীন’ নীতির অধীনে এ বছরের সম্মেলনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণের অনুমোদন দিতে অস্বীকার করেছে। এরপরই এই বিবৃতিটি আসে।










































