কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির ঐতিহাসিক র্যালি। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি বের হবে। এখন বর্ণাঢ্য র্যালির আগে চলছে আলোচনা সভা। এতে বক্তৃতা রাখছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরই মধ্যেই নয়াপল্টনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু. প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি এস এম জিলানী, কৃষকদল সভাপতি হাসান জাফির তুহিন সভায় উপস্থিত রয়েছেন।
র্যালিকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এসে সমবেত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেত হয়েছেন।
বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন রঙের টি-শার্ট, টুপি, প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ঢাকঢোল ও ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে অবস্থান করছেন।
বিএনপির র্যালিটি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে শুরু করে নাইটিঙ্গেল, কাকরাইল মোড় হয়ে মৎস্যভবন মোড় ঘুরে শাহবাগ, ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (০৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ৭ নভেম্বরের এই দিনে ১৯৭৫ সালে দেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক জনতা আধিপত্যবাদকে ও তাদের দোসরদের পরাজিত করে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে।











































