টেনিস খেলোয়াড়া খৈ খৈ মারমা ও রামহিম বম। ছবি : সংগৃহীত
নতুন কমিটি এর মধ্যেই আমাদের একটা ক্যালেন্ডার দিয়ে দিয়েছে। তারা এই বছর কী কী টুর্নামেন্ট করতে চায়, সেটা উল্লেখ আছে। ফলে আমরা এখন ইভেন্ট ধরে ধরেই নিজেদের তৈরি রাখত পারব। –রামহিম বম, টেবিল টেনিস খেলোয়াড়
খেলার মধ্যে না থাকলে কী হয় তা এবার হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন রামহিম বম।
জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র টিটিতে একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন হওয়া এই তরুণ খেলোয়াড় আরো অনেকের মতো খেলার বাইরে ছিলেন গত আগস্ট থেকেই। নতুন অ্যাডহক কমিটি এসে ওপেন টুর্নামেন্ট দিতেই সেই না খেলার জড়তা এমনই ভুগিয়েছে তাঁকে যে বিদায় নিতে হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে।
‘কী বলব, খেলায় আমার কোনো মুভমেন্টই ছিল না। আগের ছয় মাস ব্যাট হাতে নিইনি।
হুট করে খেলাটা যে কতটা কঠিন, এই টুর্নামেন্টে বুঝেছি’, বলছিলেন রামহিম। এই মুহূর্তে একই সঙ্গে অবশ্য দুই রকম অনুভূতি হচ্ছে এই তরুণের। দীর্ঘদিন না খেলার মধ্যে থেকে এবার খেলার ব্যস্ততায় পড়তে যাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে তাঁর, ‘নতুন কমিটি এর মধ্যেই আমাদের একটা ক্যালেন্ডার দিয়ে দিয়েছে। তারা এই বছর কী কী টুর্নামেন্ট করতে চায়, সেটা উল্লেখ আছে।
ফলে আমরা এখন ইভেন্ট ধরে ধরেই নিজেদের তৈরি রাখত পারব।’ রামহিমই জানিয়েছেন, এ বছর তিনটি র্যাংকিং টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা দিয়েছে ফেডারেশন। প্রেসিডেন্টস কাপ নামে যার প্রথমটি হবে এপ্রিলে। জুলাই ও আগস্টে হবে পরের দুটি। তিনটি র্যাংকিং টুর্নামেন্ট শেষ করে সেপ্টেম্বরে টেবিল টেনিস লিগ মাঠে গড়ানোর কথা আর অক্টোবরে হবে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ।
শীর্ষ পর্যায়ের এই পাঁচটি আসর দিয়ে আগামী আট মাস তাই ব্যস্ত সময় পার করার কথা টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের। সিনিয়র খেলোয়াড় জাভেদ আহমেদেরও চাওয়া সেটাই, ‘আমাদের আগের পাঁচ বছরে দুটি লিগ হয়েছে, এটা প্রত্যাশিত নয়। আমরা চাই প্রতিবছর যেন লিগ হয়। লিগটাই খেলোয়াড়দের আয়ের বড় একটা উৎস।’ নতুন কমিটির কাছে আরো কিছু চাওয়াও আছে বর্তমানে টেবিল টেনিস খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা জাভেদের, ‘টিটিটাকে আমরা এখনো কিন্তু কেউ পেশা হিসেবে নিতে পারিনি। আমাদের শীর্ষ খেলোয়াড়দের অনেকেরই ভিন্ন পেশা আছে। জাতীয় দলের ক্ষেত্রে ক্যাম্প না করতে পারলে আমাদের যেন বাদ দিয়ে দেওয়া না হয়। অন্তত সিলেকশন ট্রায়ালের সুযোগটা থাকা উচিত। সব ক্ষেত্রেই একটা স্বচ্ছতা থাকা উচিত। আগের কমিটির অধীনে অনেক খেলোয়াড় বঞ্চিত হয়েছে, সেটা যেন না হয়।’ নিয়মিত খেলা হলেও হয়তো বা এমন অস্বচ্ছতা কেটে যাবে অনেকটাই।











































