ইন্দ্রানী নিশি ও নওবা তাহিয়া
পুরনোদের জায়গা ছেড়ে দিতে হয়—এটাই নিয়ম। সময়ের নিয়মে টিভি নাটক, ওটিটি ও চলচ্চিত্রে এসেছে একঝাঁক নবীন অভিনয়শিল্পী। আকাশছোঁয়ার স্বপ্ন তাদের। এখান থেকেই কেউ হয়তো হবেন ভবিষ্যতের শাকিব খান-অপূর্ব বা শাবনূর-জয়া আহসান।
এমন ১০ জনকে নিয়ে লিখেছেন হৃদয় সাহা। ধারাবাহিকভাবে আজ থাকছে দুজনের গল্প। নওবা তাহিয়া ও ইন্দ্রানী নিশি।
নওবা তাহিয়া
শৈশবে আবৃত্তি করতেন।
এভাবেই টিভিতে ছোটদের অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার সুযোগ পান নওবা তাহিয়া। তিন বছর আগে আসেন অভিনয়ে। প্রথম নাটক ‘ফেরার গল্প’ প্রচারিত হয় বিটিভিতে। এ অভিনেত্রী বলেন, “পরে রুবেল আনুশ ভাইয়ের তিনটি নাটক করি পরপর।
দর্শক আমাকে চিনতে শুরু করে। পার্থ শেখ ভাইয়ের সঙ্গে আমার জুটি গড়ে ওঠে। তখনই ইমরাউল রাফাত ভাইয়ের নাটক ‘চুপিচুপি’ করি নিলয় আলমগীর ভাইয়ার সঙ্গে। নাটকটি ইউটিউব ভিউয়ের ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে থাকায় আমাকে নিয়ে আলোচনা বাড়ে। এভাবেই কাজ বাড়তে থাকে, আমিও নিয়মিত হই।
গেল ঈদেও আমার বেশ কয়েকটি নাটক প্রচারিত হয়েছে।’
আপাতত বিরতিতে আছেন জানিয়ে বলেন, ‘পড়াশোনার জন্য কিছুদিন বিরতি নিয়েছি। আগস্ট থেকে আবার নিয়মিত হব। আমার অভিনয়ে আসার অন্যতম প্রেরণা অপি করিম আপু। তাঁর অভিনয়, বাচনভঙ্গি আমাকে রীতিমতো মুগ্ধ করে। যেহেতু সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বড় হয়েছি, বরাবরই আমার পরিবারকে পাশে পেয়েছি। অভিনেত্রী হিসেবে সৃষ্টিকর্তা আমায় যেখানে পৌঁছে দেবেন, তাতেই আমি সন্তুষ্ট থাকব। আমি বিশ্বাস করি, কাজের প্রতি যারা কর্মঠ, তারা সফল হয়।’
ইন্দ্রানী নিশি
ইন্দ্রানী নিশিপড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে। তবে পর্দায় উপস্থাপক হিসেবেই বেশি ব্যস্ত। আরটিভির রিয়ালিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, তার পর থেকেই শোবিজের নিয়মিত মুখ।
দেশের নামকরা বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলে উপস্থাপনা করেন। পাশাপাশি করেন করপোরেট অনুষ্ঠানও। সুচিত্রা সেনের একনিষ্ঠ ভক্ত নিশি এবারই প্রথম টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন—রুবেল আনুশের ‘রূপ’। নাটকটিতে তার জানান দিচ্ছে, বেশ লম্বা দৌড়ের ঘোড়া হিসেবেই পদার্পণ অভিনেত্রীর।
অভিনয় প্রসঙ্গে নিশি বলেন, ‘যেহেতু আমি নাট্যকলার ছাত্রী, অভিনয় নিয়ে আমার প্যাশন কাজ করে। তবে আমার লক্ষ্য বড় পর্দা। সেভাবেই প্রস্তুত করছি নিজেকে। টিভি নাটক করে অভিনয়ের দক্ষতা যাচাই করে নিচ্ছি।’










































