ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করেছেন হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর তৈরি হওয়া হুমকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। স্পেনের সান সেবাস্তিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের চলচ্চিত্র ‘ক্যুচুয়ার’-এর প্রদর্শনীর সময় তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ডানপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করার পর লেট-নাইট হোস্ট জিমি কিমেলের শো স্থগিত করা হয়।
এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রে বাকস্বাধীনতা সংকোচনের আশঙ্কা আরও বেড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে মন্তব্য করলেন জোলি। ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনামূলক সংবাদমাধ্যমের ওপর দমননীতির সমালোচনা করেন তিনি।আ
সেবাস্তিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে এক সাংবাদিক যখন জোলিকে জিজ্ঞাসা করেন—তিনি কি যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে ভয় পাচ্ছেন কিনা! উত্তরে জোলি বলেন, “আমি আমার দেশকে ভালোবাসি, তবে এই মুহূর্তে আমি আমার দেশকে চিনতে পারছি না।
”
তিনি আরও বলেন, “যেকোনো স্থানে যা কিছু মানুষকে বিভক্ত করে, কিংবা ব্যক্তিগত মতপ্রকাশ ও স্বাধীনতাকে সীমিত করে, সেটি ভীষণ বিপজ্জনক। আমরা সবাই এখন খুব কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
৫০ বছর বয়সী জোলি সান সেবাস্তিয়ানে এসেছিলেন তার নতুন ছবি ‘ক্যুচুয়ার’-এর প্রচারের জন্য। ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যালিস উইনোকুর পরিচালিত ছবিটি উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার গোল্ডেন শেল–এর জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এই ছবিতে জোলি অভিনয় করেছেন ম্যাক্সিন ওয়াকার চরিত্রে যিনি একজন আমেরিকান চলচ্চিত্র পরিচালক। একদিকে বিবাহবিচ্ছেদের মুখোমুখি, অন্যদিকে গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে লড়ছেন। একই সময়ে তিনি প্যারিস ফ্যাশন উইকের সহকর্মী (ফরাসি অভিনেতা লুই গারেলের চরিত্রে) সঙ্গে নতুন এক সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যান।
‘ক্যুচুয়ার’ প্রসঙ্গে অস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী বলেন, তিনি তার চরিত্রের সংগ্রামের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সংযোগ অনুভব করেন। ২০১৩ সালে জোলি ডাবল মাস্টেকটমি (স্তন অপসারণ) করান এবং পরে ক্যান্সারের উচ্চ জেনেটিক ঝুঁকি কমাতে তার ডিম্বাশয় ও ফলোপিয়ান টিউব অপসারণ করান।
ক্যান্সারে তার মা ও দিদিমার মৃত্যু হয়েছিল।











































