আজমেরী হক বাঁধন
জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। জুলাই বিপ্লবে সরকার পতন আন্দোলনে ব্যাপক সরব ছিলেন অভিনেত্রী। ছাত্র-জনতার পক্ষে রাস্তায় নেমেছিলেন। তবে সরকার পরিবর্তনের পর দেশের খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মনে করেন এ অভিনেত্রী।
তার মতে, গণ-অভ্যুত্থানের পর তিনি আরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে হাজির ছিলেন বাঁধন। সেখানে তিনি জানান, গণ-অভ্যুত্থানের পরে ব্যক্তিগতভাবে তার পেশাগত জীবনে তিনি বেশ ক্ষতির মুখেই পড়েছেন। এককথায়, তিনি এই সরকারের প্রতি হতাশ।
বাঁধন বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের আগে তার তিনটি চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল, যার মধ্যে একটি ফিল্মের সাইনিং হওয়ার কথা ছিল ২৫ জুলাই, এবং আরেকটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ৩০ আগস্ট থেকে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দুইজন প্রযোজক এখন নানা সমস্যায় থাকায় তারা আর কাজটি করতে আগ্রহী নন। এসব প্রযোজক আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং সেই রাজনৈতিক যোগসূত্রের কারণেই তারা এখন পিছিয়ে এসেছেন।’
বাঁধনের মতে, দীর্ঘদিন শিল্পাঙ্গনে এককভাবে ক্ষমতা ধরে রাখা একটি গোষ্ঠী এখন প্রান্তচ্যুত, এবং নতুন গোষ্ঠী কাজ দখল করেছে।
দখল করলেও কাজ চলছে তাদের মতো করে। শুধু নিয়ন্ত্রণের হাতবদল হয়েছে।
সরকার বদলে শুধু সিন্ডিকেটই বদল হয়েছে উল্লেখ করে বাঁধন বলেন, ‘অনেকে বলছে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ কমে গেছে- এ রকম না। কিছু সিন্ডিকেট চেঞ্জ হয়েছে। যেটা হয় যে একদল আগে কাজ করত, এখন আবার আরেক দল দখল করেছে।কিন্তু দখলের পরে আবার তারা কাজ করছে।’
এছাড়াও জুলাই অভ্যুত্থানের পর শিল্পীদের প্রতি বিদ্বেষ, হেনস্তা ও মিথ্যা মামলার প্রবণতা বেড়েছে বলেই মনে করছেন বাঁধন। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার একজন কো-আর্টিস্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একটা মিথ্যা মামলার আসামি করা হয়েছে তাকে। আমার সঙ্গে হয়েছে, আমার আশপাশের মানুষের সঙ্গে হয়েছে।’
এবার কোরবানি ঈদে মুক্তি পেয়েছে আজমেরি হক বাঁধন অভিনীত থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘এশা মার্ডার : কর্মফল’। নারীপ্রধান এই গল্পে এক পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাঁধন। সানী সানোয়ারের পরিচালনায় সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন পূজা এগনেস ক্রুজ, ফারুক আহমেদ, শরীফ সিরাজ, শতাব্দী ওয়াদুদসহ একাধিক তারকা।











































