সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে নিয়ে যা বললেন সাইমন

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাইমন সাদিক

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশে ফিরেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। রবিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে আবদুল হামিদ থাইল্যান্ড থেকে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন। ৩টার দিকে তিনি বিমানবন্দর ছাড়েন।

গত ৭ মে দিবাগত রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে আবদুল হামিদ দেশ ছাড়েন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলি করার ঘটনায় কিশোরগঞ্জে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১২৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। গত ১৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ থানায় মামলাটি করা হয়।

আবদুল হামিদের দেশ ছাড়ার ঘটনায় সারা দেশে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ও বিক্ষোভ শুরু হয়। জেলা কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে নিয়োজিত একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার এবং উপপরিদর্শক ও সহকারী উপপরিদর্শক পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তবে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশে ফিরে আসায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

অনেকেই তাঁর প্রশংসা করেন। এদিকে চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজের অনুভূতি লিখেছেন, সাইমন বলেন, আপনার প্রতি একটু অভিমান ছিলো,কিন্তু গর্বের কোনো কমতি ছিল না। কাল থেকে গর্বের পরিধি যেন আরো হাজার গুণ বেড়ে গেছে।  আপনিই আসলে বাংলাদেশের সেরা মহামান‍্য, দাদা। আপনি আমাদের কিশোরগঞ্জসহ সারা দেশের অহংকার।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিমানবন্দর দিয়ে কীভাবে বিদেশ গেলেন এবং এ ক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না, তা তদন্তের জন্য তিনজন উপদেষ্টার সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে সরকার।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারকে এই কমিটির সভাপতি করা হয়। আর দুই সদস্য হলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং নৌপরিবহন ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

LEAVE A REPLY