প্রতীকী ছবি
ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে প্রথমে বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নিতেন। কয়েক মাস কাজ করে পরিবারের বিশ্বাস অর্জনের পর সুযোগ বুঝে লুট করতেন এক দম্পতি।গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলছে ভারতের আসাম রাজ্যের বৃহত্তম শহর গুয়াহাটিতে। নতুন এই কৌশলে লুটের ঘটনায় নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, পরিবারের আস্থা অর্জনের পর নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নিতেন।কয়েক মাস কাজ করে পরিবারের বিশ্বাস অর্জনের পর সুযোগ বুঝে চুরি করতেন তারা।
তাদের বিরুদ্ধে নুনমাটি, ফ্যান্সি বাজার, বিরুবাড়ি ও বশিষ্ঠাসহ গুয়াহাটির বিভিন্ন এলাকা থেকে একই ধরনের চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে ফ্যান্সি বাজার এলাকায়। সেখানে দীপালি দাস ওরফে জনালি নামে এক নারী গৃহকর্মী হিসেবে একটি বাড়িতে কাজ করছিলেন।কয়েক মাস কাজ করার পর তিনি আলমারি ভেঙে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার তদন্তে পামোহি এলাকা থেকে ভূপেন কুমার সিং নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দীপালি দাস ওরফে জনালিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কার প্রায় ৩ লাখ রুপিতে একটি দোকানে বিক্রি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় বুরনিহাট এলাকা থেকে ভারত সোনার নামে ওই দোকান মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।











































