ঈদুল আজহার আগে-পরে সাত দিন ফেরি দিয়ে পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পারাপার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) কাজী আরিফ বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৪ মে ২০২৬ থেকে কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে শিমুলিয়া-চাঁদপুর-ঈদগাঁও নৌরুট এবং ঢাকার বসিলা লঞ্চঘাট থেকে বসিলা, হাকিমুদ্দিন, চাঁদপুর, মুলাদি, গলাচিপা, বরিশাল ও ইলিশা রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। এ বিষয়ে যেকোনো সেবার তথ্য জানতে ১৬১১৩ হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদযাত্রাকে নিরাপদ রাখতে ঈদের পূর্ববর্তী ৫ দিন সদরঘাট থেকে যাত্রীবাহী নৌযানে কোনো মালামাল পরিবহন করা যাবে না। একইভাবে ঈদের পরবর্তী ৫ দিন অন্যান্য নদীবন্দর থেকে সদরঘাটগামী যাত্রীবাহী নৌযানেও মালামাল পরিবহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।পাশাপাশি ২৩ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দিন-রাত সার্বক্ষণিক সব ধরনের বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবা গ্রহণের জন্য একাধিক হটলাইন নম্বরও প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, বিআইডব্লিউটিএ ১৬১১৩, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩, ফায়ার সার্ভিস ১০২, কোস্ট গার্ড ১৬১১১ এবং নৌপুলিশ ০১৭৬৯-৭০২২১৫।
এছাড়া যাত্রীদের নৌপথে যাতায়াতের সময় নৌকা বা ট্রলার থেকে লঞ্চে উঠানামা না করার জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে যাত্রীদের বাস থেকে নেমে হেঁটে ফেরিতে ওঠার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হলে ঈদযাত্রা আরো নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।










































