সংগৃহীত ছবি
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের ফলে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে তীব্র সংকট তৈরি হয়।এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বেশি জ্বালানি তেল আমদানি করতে যাচ্ছে ভারত।
কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিজনেস অ্যানালিটিক্স প্ল্যাটফর্ম ‘ক্যাপলারের’ প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক সুমিত রিতোলিয়া।
সুমিত রিতোলিয়া বলেন, ভারতের কাছে তেল ও গ্যাস রপ্তানি বাড়ানোর সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করার মতো যথেষ্ট নয়।
এ ছাড়া এই সংকটের মধ্যে ভারত রাশিয়া থেকেও তেল আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছে বলে জানান এই বিশ্লেষক।
চলমান বিশ্ব জ্বালানি সংকট এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেই চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরের প্রথম দিনে রাজধানী দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের নানামুখী চ্যালেঞ্জ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের কারণে বর্তমানে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথেই পরিবাহিত হয়। এই অচলাবস্থার কারণে ভারত চরম সংকটে পড়েছে, কারণ দেশটি তার প্রয়োজনীয় জ্বালানির ৮০ শতাংশের বেশি আমদানি করে এবং এর অর্ধেকই আসে এই প্রণালি দিয়ে।











































