ফিফা বিশ্বকাপ এমন এক মঞ্চ, যেখানে ভালো কিছু করতে পারলে রাতারাতি পুরো দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করা যায়।
কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়ার জন্য এবারের বিশ্বকাপ সেই আশীর্বাদের মতো।বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার দেশের মানুষই ভোজিনিয়াকে সেভাবে চিনত না। কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে চীনের মহাপ্রাচীর হয়ে ওঠার পর আসরজুড়ে আরো কিছু দুর্দান্ত সেভ করে ৪০ বছর বয়সী গোলকিপারের নাম অনেকের মুখে মুখে।
বিশ্বকাপ শুরুর সময় যে ভোজিনিয়ার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে অনুসারী ছিল না বললেই চলে, গত এক মাসে ফুটবলারদের মধ্যে তার অনুসারীই সবচেয়ে বেড়েছে।
ফুটবলে দলবদল, পরিসংখ্যান ও বাজারমূল্য নির্ধারণ বিষয়ক ওয়েবসাইট ট্রান্সফারমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রামে ভোজিনিয়ার বর্তমান অনুসারী সংখ্যা ২ কোটি ৮৮ লাখ।গত এক মাসেই এই পরিমাণ অনুসারী হয়েছে তার।
ভোজিনিয়ার পরেই আছেন আর্লিং হালান্ড। ইনস্টাগ্রামে নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকারের অনুসারী বেড়েছে ২ কোটি ৩৩ লাখ। হালান্ডের জোড়া গোলেই ব্রাজিলকে বিদায় করে বিশ্বকাপের কোয়র্টার ফাইনালে ওঠে নরওয়ে।একক নৈপুণ্যে ব্রাজিলকে ছিটকে ফেলার কীর্তি তার অনুসারী বাড়ার ক্ষেত্রে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।
মাঠের পারফরম্যান্স যেমনই হোক, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সব সময় আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১০০ কোটি অনুসারীর মাইলফলক অনেক আগেই ছুঁয়েছেন রোনালদো। তবে নিজের শেষ বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স বলার মতো নয়। এর পরও ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী বেড়েছে ১ কোটি।
এ ছাড়া বিশ্বকাপের সময়ে নেইমার জুনিয়রের ৭০ লাখ ও লিওনেল মেসির ৬০ লাখ অনুসারী বেড়েছে।
বিশ্বকাপের সময়ে ইনস্টাগ্রামে অনুসারী বাড়ায় শীর্ষ ৫
ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে) : ২ কোটি ৮৮ লাখ
আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে) : ২ কোটি ৩৩ লাখ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল) : ১ কোটি
নেইমার জুনিয়র (ব্রাজিল) : ৭০ লাখ
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) : ৬০ লাখ
সূত্র : ট্রান্সফারমার্কেট











































