পারস্য উপসাগরের লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ইরান। হামলায় সেনাসদস্য ও বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলাকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে দেশটি।বিজ্ঞাপন
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, এ বিষয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে সোমবার একটি চিঠি পাঠিয়েছেন জাতিসংঘে ইরানের উপস্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি।
দারজি চিঠিতে বলেন, রোববার সন্ধ্যায় পারস্য উপসাগরের লারাক দ্বীপে মার্কিন বাহিনী হামলা চালায়। এতে সরকারি ও বেসরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তার ভাষায়, এই হামলা ইরানের ‘সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’।
ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দারজি। এসব হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং হামলার নির্দেশদাতা ও তা বাস্তবায়নকারীদের দায়ী করেছেন তিনি।
চিঠিতে দারজি আরো বলেন, পুরো পরিস্থিতিতে ইরান সংযম দেখিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আরো কোনো হামলা হলে জবাব দিতে দেশটির বাহিনী ‘একটুও দ্বিধা করবে না’।
এরই মধ্যে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা বন্ধের দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন দারজি। একই সঙ্গে চিঠিটি নিরাপত্তা পরিষদের সরকারি নথি হিসেবে প্রচারের অনুরোধ করেছেন তিনি।









































