সাড়ে ৩ বছর ধরে কারাবন্দি ইমরান খান। ছবি : রয়টার্স
দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ইমরান খান। ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে তার পরিবার।
কিছুদিন আগে ইমরানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব হয়েছেন অনেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার। এবার ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার আর ৭ জন সাবেক অধিনায়ক। পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডারের বন্দিজীবন নিয়ে মানবিক উদ্বেগ প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি লিখেছেন তারা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে স্বাক্ষর করা ৭ সাবেক অধিনায়ক হচ্ছেন—অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ। চিঠিতে তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন ‘কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নন; বরং সাবেক অধিনায়ক হিসেবে কথা বলার তাগিদ অনুভব করেই এই চিঠি লিখেছেন’ তারা।
চিঠিতে আরো লেখা হয়, ‘জনাব খানের বিরুদ্ধে চলা আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে কোনো পক্ষ নিচ্ছে না এই (সাবেক অধিনায়কদের) দল। রাজনীতি যা-ই হোক না কেন, এটি মানবতার মৌলিক বিষয়।’
এর আগে গত ২৩ আগষ্ট ইমরানের উন্নত চিকিৎসার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে চিঠি লেখেন ২২ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক।তারা হচ্ছেন—মাইকেল আথারটন, অ্যালান বোর্ডার, মাইক ব্রিয়ারলি, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালিস্টার কুক, মাইক গ্যাটিং, সুনীল গাভাস্কার, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ডেভিড গাওয়ার, নাসের হুসেইন, ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, দিলীপ ভেংসরকার, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইটের মতো কিংবদন্তিরা। সঙ্গে নারী ক্রিকেটের কিংবদন্তি বেলিন্ডা ক্লার্ক ও অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েল।
শরিফকে লেখা চিঠির কিছুদিন পর ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান প্যাট কামিন্স, পাকিস্তানের কিংবদন্তি জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম, মঈন খানসহ আরো অনেকে। ৭৩ বছর বয়সী ইমরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ক্যারিবিয়ান লিজেন্ড ব্রায়ান লারা ও মাইকেল হোল্ডিংও।
খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষে রাজনীতিতে যোগ দেন ইমরান।মাঠের মতো এখানেও নেতৃত্বে বাজিমাত করেন তিনি। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তেহরিক-ইনসাফ পার্টির নেতা। ক্ষমতা থেকে অপসারিত হওয়ার পর দুর্নীতিসহ অন্যান্য মামলায় জেলে আছেন। সময়ের হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন বছর।











































