মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করার পেছনে ইরানের ষড়যন্ত্র ‘উন্নত পর্যায়ে’ পৌঁছানোর খবর দিয়েছে নতুন এক মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে উদ্দেশ করে সম্প্রতি এই সতর্কতামূলক বার্তাটি পাঠানো হয়েছে।
এএনআইয়ের তথ্য মতে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা শুধু সৌদি আরবেই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও হামলা বাড়াতে পারে বলে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতিমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থানরত অ-জরুরি মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারকে অবিলম্বে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে একাধিক উপসাগরীয় দেশের মার্কিন দূতাবাস থেকে কর্মীদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হচ্ছে—এমন তথ্য খণ্ডন করেছেন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করেন, এই কর্মী প্রত্যাহারের আদেশটি শুধু সৌদি আরবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।সৌদি আরবের বেসামরিক অবকাঠামো ও বিমানবন্দরে হুতি বাহিনীর ক্রমবর্ধমান হামলার কারণেই কর্মী সুরক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমেরিকার ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, কূটনৈতিক সমঝোতায় ব্যর্থ হলে ইরানকে চুক্তি মানতে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। ইরানের কৌশলগত দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি তেহরানকে নতুন করে সামরিক সংঘাত এড়িয়ে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানান।
চলতি নভেম্বরের প্রথমার্ধে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই তাদের নিজ নিজ অবস্থান কঠোর করেছে।ফলে মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়াজুড়ে এক নতুন সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।










































