ইফতারে ভিন্নতা আনবে ডাবের পুডিং

খুব সহজে তৈরি করা যায় আর সময়ও অনেক কম লাগে, তাই ইফতারেও রাখতে পারেন ডাবের পুডিং। ছবি : সংগৃহীত

ইফতার আয়োজনে দু-এক দিন নানা স্বাদের পুডিং রাখতেই পারেন। স্বাদ আর পুষ্টিতে ভরপুর এ খাবার। অন্যদিকে যেহেতু গরমের তীব্রতা ভীষণ। তাই এ সময় ডাবের পানি শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

উপকারী এ পানীয় দিয়েই তৈরি করে ফেলুন মজাদার ডাবের পুডিং। খুব সহজে তৈরি করা যায় আর সময়ও অনেক কম লাগে, তাই ইফতারেও রাখতে পারেন এ পুডিং। জেনে নিন রেসিপি-

যা যা লাগবে
সাদা লেয়ারের জন্য
নারকেলের দুধ-৩/৪ কাপ
ডাবের পানি-৩/৪ কাপ
চিনি-২ টেবিল চামচ
লবণ-১ চিমটি
আগার আগার পাউডার-১/২ টেবিল চামচ

ট্রান্সপারেন্ট লেয়ারের জন্য
ডাবের পানি-১ কাপ
চিনি-১ টেবিল চামচ
লবণ-১ চিমটি
আগার আগার পাউডার-১/২ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন

  • সাদা লেয়ারের জন্য প্রথমে পাত্রে নারকেলের দুধ, ডাবের পানি, চিনি, লবণ এবং আগার আগার পাউডার নিয়ে সব ভাল করে নেড়ে মিশিয়ে দিন।
  • এরপর মিশ্রণটি চুলায় মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন, ঘন ঘন নাড়ুন।

এখন চিনি এবং আগার আগার পানিতে ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণটি ফুটে উঠলেই চুলা থেকে নামিয়ে পাত্রটি ঢেকে রাখুন, যাতে নারকেল দুধের মিশ্রণটি কোনোভাবে ঠাণ্ডা না হয়ে যায়।ট্রান্সপারেন্ট লেয়ারের জন্য আলাদা পাত্রে ডাবের পানি, চিনি, লবণ এবং আগার আগার পাউডার নিয়ে সব ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে দিন।এরপর এ মিশ্রণটি চুলায় মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। চিনি এবং আগার আগার পানিতে ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণটি ফুটে উঠলেই চুলা থেকে নামিয়ে এই পাত্রটিও ঢেকে রাখুন, যাতে মিশ্রণটি কোনোভাবে ঠাণ্ডা না হয়ে যায়।

এখন পুডিংয়ের লেয়ারিং শুরু করুন। যেকোনো ধরনের চারকোনা বক্সে প্রথমে নারকেলের দুধের যে সাদা মিশ্রণ রয়েছে তার ৩ ভাগের ১ ভাগ ঢালুন। এবার এই বক্সটি সাবধানে ফ্রিজে ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।৫ মিনিট পর বক্সটি ফ্রিজ থেকে বের করে এর ওপর ডাবের পানির মিশ্রণটি থেকে অর্ধেক সাবধানে ঢেলে দিন। আবার বক্সটি ফ্রিজে রাখুন ৭ মিনিটের জন্য।

এরপর বক্সে আবার সাবধানে নারকেলের দুধের মিশ্রণটির আরেক ভাগ ঢালুন, আবার ফ্রিজে রেখে দিন ৫ মিনিটের জন্য।এভাবে একবার সাদা লেয়ার, এরপর ট্রান্সপারেন্ট লেয়ার-এভাবে ধারাবাহিকভাবে লেয়ারগুলো তৈরি করে নিন।পুডিং সুন্দরভাবে সেট হয়ে গেলে ছুরি দিয়ে চারপাশ কেটে পছন্দসই আকারে টুকরো করে নিয়ে এরপর পরিবেশন করুন।

জেনে রাখুন- তীব্র গরমে ত্বকে ডিহাইড্রেশন বা পানির ঘাটতি দেখা দিলে তা দ্রুত পূরণ করতে পারে ডাবের পানি। শুধু তাই নয়, রক্তে ক্ষতিকারক গ্লুকোজ এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে পারে এ পানীয়। নিয়মিত এ পানীয় খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম, মিনারেল ও পটাসিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। ডাবের পানি হজমশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এ পানীয়।

LEAVE A REPLY