মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে রাশিয়ার তেল শোধনাগার মেরামতের প্রচেষ্টা। রাশিয়ান তেল কোম্পানি লুকোইলের ইঞ্জিনিয়াররা চার জানুয়ারি বৃহত্তম শোধনাগার মেরামতে সমস্যার সম্মুখীন হন।
ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ান শোধনাগারে অসুবিধা আগের তুলনায় বেড়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সেগুলো মেরামত করাও বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ রাশিয়ান শোধনাগারগুলো পশ্চিমা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। ফলে উৎপাদন ক্ষমতাও কমেছে অনেকটাই।
ভলগা নদীর তীরে অবস্থিত রাশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম তেল শোধনাগার লুকোইল-নিজেগোরোডনেফটিওর্গসিন্টেজ (এনওআরএসআই) শোধনাগারে পেট্রোল উৎপাদন ৪০ শতাংশ কমেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলা তাদের এ সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিবিসি।
ইউক্রেনে দেড় হাজার সেনা
পাঠাতে পারে ফ্রান্স : রাশিয়া
চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই ইউক্রেনে দেড় হাজার সেনা পাঠাতে পারে ফ্রান্স। এমন দাবিই করছে রাশিয়া। বুধবার মস্কোতে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ দাবি জানিয়েছেন, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা।
রাশিয়ান ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান সের্গেই নারিশকিন দাবি করেছেন, ফ্রান্স প্রায় দুই হাজার সেনা ইউক্রেনে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করা শুরু করেছে। এমনকি ফরাসি সামরিক বাহিনীর কিছু সেনা ইতোমধ্যেই ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে বলেও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মারিয়া জানিয়েছেন, ‘ইউক্রেনে পাঠানোর জন্য প্যারিসের একটি সামরিক কন্টিনজেন্টের সক্রিয় প্রস্তুতি সম্পর্কে নতুন গোয়েন্দা তথ্য এসেছে। এই লক্ষ্যে গত মার্চের শুরুতে ফ্রেঞ্চ ফরেন লিজিয়নের কমান্ড স্টাফরা প্রায় এক হাজার ৫০০ জনের সমন্বয়ে একটি ব্যাটালিয়ন কৌশলগত গ্রৃপ গঠনের অনুমোদন দেয়। আর এপ্রিলে সম্পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতির সঙ্গে তাদেরকে বিমানে করে ইউক্রেনে পাঠানো হবে বলে মনে করা হচ্ছে।’
এর আগে ফেব্র“য়ারির শেষের দিকে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। যদিও এ বিষয়ে তাকে সমর্থন জানায়নি ন্যাটো বা পশ্চিমা দেশগুলো।











































