তিন ফিফটিতে সহজ জয় ভারতের

অক্ষর-গিল দুজনই ফিফটি পেয়েছেন। ছবি : ক্রিকইনফো

চার-ছক্কার যুগে ২৪৯ রানের লক্ষ্যটা ভারতের জন্য খুব বড় ছিল না। কেননা অভিষেক শর্মার রেকর্ড সেঞ্চুরিতেই পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষটিতেই ২৪৭ রান করেছিল তারা। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে তিন ফিফটিতে ৪ উইকেটের সহজ জয়ই পেয়েছে ভারত।

একপেশে জয়টা উইকেটে এতটা না গেলেও বলে বোঝা যায়। ৬৮ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়টা তো আর কম নয়। নাগপুরে অবশ্য রান তাড়ার শুরুটা ভালো ছিল না ভারতের। দলীয় ১৯ রানে যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

দুই ওপেনারকে দ্রুত হারালেও ম্যাচকে বিপথে যেতে দেননি শ্রেয়াস আইয়ার ও শুবমান গিল।

তৃতীয় উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামলান আইয়ার-গিল। ৩৬ বলে টি-টোয়েন্টি মেজাজে ৫৯ রান করে আইয়ার আউট হলে অক্ষর প্যাটেলকে নিয়ে জয়ের কাজটা প্রায় সারেন। প্রায় সারেন বলার কারণ পরে দুজনের কেউই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি।

অক্ষরের ৫২ রানের বিপরীতে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার সময় ৮৭ রান করেন গিল। চতুর্থ উইকেটে দুজনে মিলে ১০৮ রান যোগ করেন।

গিলের আগে ২ রান করে লোকেশ রাহুল আউট হলেও জয়ের শেষ কাজটুকু সারেন হার্দিক পান্ডিয়া ও রবীন্দ্র জাদেজা। হর্ষিত রানার মতো ৩ উইকেটে নেওয়া জাদেজা ব্যাটিংয়ে অপরাজিত থাকেন ১২ রানে। অন্যদিকে কোনো উইকেট না পাওয়া হার্দিক অপরাজিত থাকেন ৯ রানে।

এতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় টি-টোয়েন্টি সিরিজজয়ীরা। ৪-১ ব্যবধানে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে জিতেছিল ভারত।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অবশ্য বড় সংগ্রহই পাওয়ার কথা ছিল ইংল্যান্ডের। ফিল সল্ট ও বেন ডাকেটের ৭৫ রানের  ওপেনিং জুটি তেমনি ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু ৩ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে হঠাৎই স্বাগতিকেরা ৭৭ রানে ৩ উইকেট হয়ে যায়। পরে ইংল্যান্ড ২৪৮ রানের সংগ্রহটা পায় অধিনায়ক জস বাটলার ও জ্যাকব বেথেলের জোড়া ফিফটিতে। বেথেলের ৫১ রানের বিপরীতে ৫২ রান করেন অধিনায়ক।

LEAVE A REPLY