জস বাটলার। ছবি : আইসিসি
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কাল রাতে আফগানিস্তানের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ইংল্যান্ডের। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব ও ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। আর এবার বাদ পড়ল গ্রুপ পর্ব থেকেই। পাশাপাশি শেষ চারটি দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজেও হেরেছে বাটলারের দল।
তাই স্বাভাবিকভাবে বাটলারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মাইকেল ভন এরই মধ্যে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফে লেখা কলামে জস বাটলারের থাকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তার মতে, ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে বাটলার টিকতে পারবেন না।
ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইনও মনে করেন, সবকিছু বিবেচনা করে বাটলারের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময়টা এখনই।স্কাই স্পোর্টসকে নাসের হুসেইন বলেছেন, ‘মানুষ হিসেবে জস বাটলারকে আমি পছন্দ করি। ড্রেসিংরুমেও সে জনপ্রিয়। কিন্তু জনপ্রিয় হওয়াটা তার দায়িত্ব নয়। তার দায়িত্ব ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটকে আরও উন্নতি করা…আমি কখনোই অধিনায়ক বাটলারকে দেখে মুগ্ধতায় চমকে যাইনি।
মরগানের মতো মাঠে তার সেই উপস্থিতিটা নেই…সবকিছু বিবেচনা করে আমার মনে হয় সরে যাওয়ার সময়টা এখনই।’
একই সংবাদমাধ্যমকে ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক মাইকেল আথারটন বলেন, ‘আমার মনে হয় অধিনায়ক হিসেবে তার সময় ফুরিয়েছে। …কখনো কখনো এটা ভাবতে হয়, কোনো কিছু কাজ না করলে সময়টা পরিবর্তনের, অন্য কারও দায়িত্ব নেওয়ার। আমার মনে হয় বাটলারও এটা জানে।’
কাল ইংল্যান্ডের হারের পর এ নিয়ে মুখ খুলেছেন বাটলারও।তার কাছে এরপর জানতে চাওয়া হয়েছিল, ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক হিসেবে ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালন করবেন কি না, সে বিষয়টি তিনি ভাববেন কি না? উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলে বাটলার যোগ করেন, ‘যেটা বলেছি, আমি এখন এখানে আবেগতাড়িত হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেব না। নিজেকে নিয়ে ভাবনার জন্য একটু সময় নেব, যেটা আমি মনে করি সঠিক এবং দায়িত্বের শীর্ষ যারা আছেন, তারাও নিজেদের মতামত দেবেন।’
তবে বাটলার জানিয়েছেন, তিনি অধিনায়কত্ব উপভোগ করেন, ‘অনেকেই মনে করেন, অধিনায়কত্ব আমাকে মানায় না। কিন্তু আমি নেতৃত্ব উপভোগ করি। এমনকি সেটা অধিনায়ক হওয়ার আগে থেকেই।’










































