সংগৃহীত ছবি
ভারতের বেঙ্গালুরুর ২ বাসিন্দা ভুয়া ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ও হোয়াটসঅ্যাপ প্রতারণার মাধ্যমে সাইবার জালিয়াতির শিকার হয়ে ২.১৫ কোটি রুপির বেশি হারিয়েছেন। তাৎক্ষণিক লাভের আশায় সেখানে বিনিয়োগ করে তারা এই প্রতারণার শিকার হন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
ডেকান হেরাল্ডের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, এই প্রতারণা সাজানো হয়েছে পরিকল্পিত সামাজিকমাধ্যম ও পেশাদার মনে হওয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে; যা দেখতে ছিল একদম বাস্তব শেয়ারবাজার ট্রেডিং ড্যাশবোর্ডের মতো।
এখানে দেখানো হতো ভুয়া লাভের হিসাব।
প্রথম ঘটনায়, রেড্ডি ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী ফেসবুকে ‘আশমিতা তিওয়ারি’ নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হন, যিনি নিজেকে মুম্বাইয়ের বার্কলেজ ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপক হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি তাকে একটি বিনিয়োগ ওয়েবসাইটে যেতে বলেন এবং ‘ক্যাটালিস্ট কাস্টমার সার্ভিস’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করেন। এই গ্রুপে অনেকেই বিনিয়োগে লাভের স্ক্রিনশট ও মার্কেট টিপস শেয়ার করছিলেন।
তিন মাসের ব্যবধানে রেড্ডি ওই গ্রুপের দেওয়া বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ১.৫৪ কোটি রুপি পাঠান, কারণ তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে তার অর্থ বাড়ছে—যেমনটা সেই ভুয়া ড্যাশবোর্ডে দেখানো হচ্ছিল। যখন তিনি লাভ তুলতে যান, তখন তিনি দেখতে পান যে, তাকে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে এবং কারো সাড়া মিলছে না।
আরেকটি একই রকম ঘটনার শিকার হন বিজয়নগরের ৩০ বছর বয়সী প্রকৌশলী রনদীপ এস। তিনি ‘ইন্ডিয়া স্টক হাব১২’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে একটি ভুয়া ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ করতে বলা হয়। রনদীপ প্রথমে ৩.৫ লাখ রুপি বিনিয়োগ করে ৯০,০০০ রুপি ফেরত পান, যা ছিল বিশ্বাস অর্জনের কৌশল। কিন্তু পরবর্তী দুই মাসে তিনি মোট ৬১.৩ লাখ রুপি পাঠিয়ে দেন এবং শেষে তিনিও বুঝতে পারেন যে প্রতারিত হয়েছেন।








































