গাজায় দুটি ‘গুরুতর ঘটনায়’ ৬ ইসরাইলি সেনা হতাহত

ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে ও গাজা নগরীতে ইসরাইলি সেনা সদস্য জড়িত দুটি গুরুতর নিরাপত্তাজনিত ঘটনা ঘটেছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, খান ইউনিসে একটি গুরুতর নিরাপত্তাজনিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে, ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে দুটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে।

এসব খবরে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ওই দুই ঘটনায় কমপক্ষে একজন ইসরাইলি সেনা নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।আরও পড়ুন

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই, ইসরাইলি মিডিয়া প্রথম ‘গুরুতর নিরাপত্তা ঘটনা’-র কথা জানায়, যা দখলদার বাহিনীর সঙ্গে গাজায় সংঘটিত হয়েছে।

হিব্রু ভাষার একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনাদের মধ্যে একটি প্রধান নিরাপত্তা ঘটনা ঘটেছে এবং এর বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

কয়েকটি প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে না বললেও, ঘটনাস্থল হিসেবে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের আল-কারারা জেলাকে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুন

এদিকে গাজা উপত্যকায় অব্যাহত ইসরাইলি হামলায় আরও অন্তত ১১০ জন নিহত হয়েছেন।  শনিবারের বিভিন্ন সময় এসব হামলা চালানো হয়। গাজার হাসপাতাল সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিতর্কিত মানবাধিকার সংস্থা গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে গাজায় অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতেরা ত্রাণ আনতে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া ঘনবসতিপূর্ণ আল–শাতি শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে সেখানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে ভীতিকর পরিবেশ দেখা গেছে।আরও পড়ুন

ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, তারা গত ৪৮ ঘণ্টায় অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ২৫০ বার হামলা চালিয়ে। 

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। দখলদারদের হামলায় ৫৭ হাজার ৮৮২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত এক লাখ ৩৮ হাজার ৯৫ ফিলিস্তিনি। সূত্র: মেহের নিউজ

LEAVE A REPLY