ছবিসূত্র : এএফপি
কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে অবস্থিত থাই দূতাবাস দেশটির নাগরিকদের দ্রুত কম্বোডিয়া ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে। সীমান্ত সংঘর্ষ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠায় এই আহ্বান জানানো হয়েছে। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সেনারা বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকার এক অংশে গোলাগুলি চালিয়েছে। দুই পক্ষই এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসিসহ আরো কিছু আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম।
থাই সেনাবাহিনী জানায়, কম্বোডিয়ার সেনারা খেমার মন্দির তা মুয়েন থম-এর কাছাকাছি গুলি চালায়। সেখানে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা বেড়েছে।
থাই দূতাবাস সতর্কবার্তায় বলেছে, ‘এই সংঘর্ষ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং আরো বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে।
’ দূতাবাস তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘যেসব থাই নাগরিকের কম্বোডিয়ায় থাকার জরুরি প্রয়োজন নেই, তাদেরকে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে দেশটি ত্যাগ করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।’ পাশাপাশি, কম্বোডিয়ায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকেও বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়েছে থাই কর্তৃপক্ষ।
থাইল্যান্ডের দাবি, কম্বোডিয়া প্রথমে একটি ড্রোন পাঠায় এরপর সেনা মোতায়েন করে। এ ছাড়াও কম্বোডিয়ার সেনারা থাইল্যান্ডের সুরিন প্রদেশের কাপ চেয়ং জেলায় বেসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে থাই সেনাবাহিনী।
এদিকে থাইল্যান্ড বুধবার রাতে কাম্বোডিয়ার সঙ্গে একটি সীমান্ত পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগে একটি ভূমিমাইন বিস্ফোরণে থাই সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হন। এরপরই বৃহস্পতিবার উভয় দেশের সেনারা সীমান্ত এলাকায় একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। দুই দেশই প্রথমে গুলি চালানোর অভিযোগ একে অপরের বিরুদ্ধে করেছে।
পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকায় থাইল্যান্ড ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা কাম্বোডিয়ার সঙ্গে তাদের পুরো স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেবে।
এ ঘটনার জেরে সীমান্তে নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনাও তীব্রতর হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি, সিএনএন











































