সংগৃহীত ছবি
কনকনে ঠাণ্ডা আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে দেশের জনপদ। ভোরের আলো ফুটতেই হিমেল বাতাসে জমে উঠছে শীতের তীব্রতা, কাঁপছে হাত-পা, স্থবির হয়ে পড়ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এরই মধ্যে শৈত্যপ্রবাহের দাপটে আগামীকাল বুধবার (৬ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ শীত আরো বাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় সূর্যের দেখা মিলতে দেরি হতে পারে, আর কুয়াশায় ঢেকে যাবে বিস্তীর্ণ এলাকা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
পোস্টে মোস্তফা কামাল লিখেছেন, বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে বিভিন্ন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। বুধবার সকাল ৬টার সময় রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
কুয়াশার তথ্য জানিয়ে ফেসবুক পোস্টে আবহাওয়াবিদ পলাশ লিখেছেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত কুয়াশার চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে দেশের ৬১টি জেলার ওপরে (ফেনী, সিলেট ও সুনামগঞ্জ ছাড়া) কুয়াশার উপস্থিতি রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট ছাড়া অন্য ৬টি বিভাগের জেলাগুলো মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়তে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি ঘনত্বের কুয়াশার উপস্থিতি থাকতে পারে। বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ও খুলনা বিভাগের বেশিরভাগ জেলায় দুপুর ১২টার আগে সূর্যের আলো দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। অন্য পাঁচ বিভাগের জেলাগুলোতে সকাল ১০টার পর থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে সূর্যের আলোর দেখা মিলতে পারে।
এদিকে আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মাসে দেশের ওপর দিয়ে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। দেশের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত থেকে তাপমাত্রা ক্রমাগত কমতে পারে। আর চলতি মাসে ১ থেকে ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।







































