পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বাবর-শাহীনকে নিয়ে অনিশ্চয়তা

সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপে সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে আজ সন্ধায় নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান। তবে ম্যাচের আগেই আলোচনার কেন্দ্রে দুই পাক তারকা বাবর আজম ও শাহীন আফ্রিদি।

গ্রুপ পর্বে চার নম্বরে নেমে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি বাবর। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একটি ভালো ইনিংস ছাড়া ধারাবাহিকতা ছিল না।

প্রধান কোচ মাইক হেসন স্পষ্টই জানালেন, বাবরকে নির্দিষ্ট একটি ভূমিকায় ভাবা হয়েছে, মাঝে নেমে ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার দায়িত্বে।

হেসনের ভাষ্য, ‘আমরা মনে করি, মাঝের ওভারগুলোতে চাপের সময় বাবর কার্যকর। সেট হয়ে গেলে সে স্ট্রাইক রেট বাড়াতে পারে। কিন্তু ১২ ওভারের পরপরই নামানোটা তার জন্য আদর্শ নয়।

নামিবিয়ার বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে তাই চার নম্বরে প্রমোশন দেওয়া হয় তরুণ খাজা নাফেকে। যদিও বিশ্বকাপে অভিষেকে বড় রান পাননি, তবু দল যে পরিকল্পনায় বদল এনেছে—সেটি স্পষ্ট।

ইনজুরি থেকে দ্রুত ফিরে আসা শাহীন এই বিশ্বকাপে ছন্দহীন। মাত্র ৯ ওভার বল করে ওভারপ্রতি ১১.২২ রান দিয়েছেন।

বিপরীতে সালমান মির্জা দুই ম্যাচে ওভারপ্রতি মাত্র ৬ রান খরচ করেছেন।

হেসন নিশ্চিত করেছেন, ‘সালমান অবিশ্বাস্য ভালো বল করেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচে না খেলাটা তার জন্য দুর্ভাগ্য ছিল।’

ফলে সুপার এইটের শুরুতেই একাদশে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

কলম্বোর উইকেট স্পিন-সহায়ক হওয়ায় পাকিস্তান স্পিন নির্ভর পরিকল্পনাই চালিয়ে যেতে চায়।

মোহাম্মদ নেওয়াজ, শাদাব খান, সাইম আইয়ুব ও উসমান তারিককে ঘিরে গড়া আক্রমণ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী টিম ম্যানেজমেন্ট।

নিউজিল্যান্ড গ্রুপের সব ম্যাচ খেলেছে ভারতে। কলম্বোর পিচ চেন্নাই-আহমেদাবাদের চেয়ে ধীর ও টার্নিং হতে পারে। ব্যাটার মার্ক চাপম্যাচ বলছেন, ‘ধীর উইকেটে কীভাবে খেলতে হয়, সেটা আমরা জানি। পাকিস্তানের স্পিনাররা ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে, তবে আমরা প্রস্তুত।’

সুপার এইটে টিকে থাকতে জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের জন্য এটি কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং কৌশল, দলগঠন ও তারকাদের ফর্ম নিয়ে বড় পরীক্ষা। বাবর-শাহীন কি ফিরবেন স্বরূপে, নাকি তরুণদের হাতেই ভরসা রাখবে টিম ম্যানেজমেন্ট, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

LEAVE A REPLY