সংগৃহীত ছবি
আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দুই আসনের নির্বাচন নিয়ে ইতোমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তবে এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না সরকারের সঙ্গে অংশীদারি থাকা কোনো কম্পানির মালিক বা পদে থাকারা। এমনকি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনসমূহে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
এনসিপির রাজনীতিতে অংশগ্রহণ আমাদের রাজনৈতিক বিজয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এ দুই আসনে কারা প্রার্থী হতে পারবেন না সে সংক্রান্ত একটি পরিপত্র শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জারি করেছে ইসি। ইতোমধ্যে পরিপত্রটি বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়, লাভজনক পদ অর্থাৎ, প্রজাতন্ত্র বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ বা সরকারের শতকরা ৫০ ভাগের অধিক শেয়ার রহিয়াছে এরূপ কোম্পানির সার্বক্ষণিক কোনও পদ বা পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত থাকা ব্যক্তি প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন। এছাড়া উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়রের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি/স্বায়ত্বশাসিত/আধা স্বায়ত্বশাসিত ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত অফিস/প্রতিষ্ঠানের বা করপোরেশন অথবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, কৰ্তৃপক্ষ এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনসমূহে চুক্তিভিক্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জাতীয় প্রার্থী হওয়ার জন্য পদ্ধতিগতভাবে পদত্যাগ করতে হবে।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। এ দুই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২ মার্চ। রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বাছাই ৫ মার্চ। আপিল করা যাবে ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত।
আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ। ভোটগ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।











































