সেঞ্চুরির পর শান্তর উদযাপন। ছবি : মীর ফরিদ, চট্টগ্রাম থেকে
জয় যাদের শিরোপা তাদের। এমন সমীকরণে খেলতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডকে ২৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে আজ ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পেয়েছেন শান্ত। জেডন লেনেক্সের করা ৪১তম ওভারের শেষ বলে লং অনে সিঙ্গেল নিয়ে তিন অংক স্পর্শ করেন বাঁহাতি ব্যাটার।
তাতে সেঞ্চুরির খরা কেটেছে। এই চট্টগ্রামেই সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০২৪ সালের মার্চে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। ১১৯ বলে ১০৫ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৯ চার ও ২ ছক্কায়।
২০তম ইনিংসের পর সেঞ্চুরি পাওয়া শান্ত আজ বাংলাদেশকে শুরুর ধাক্কা থেকেও বাঁচিয়েছেন।
তাকে অবশ্য চতুর্থ উইকেটে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন লিটন দাস। দুজনে মিলে ১৬০ রানের জুটি না গড়লে হয়তো আড়াই শর উপরে স্কোর দাঁড় করাতে পারত না বাংলাদেশ।
দুজনের দুর্দান্ত জুটিটি ভাঙ্গে লিটন ব্যক্তিগত ৭৬ রানে আউট হলে। ৩ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসটি সাজাতে ৯১ বল খেলেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
এই ইনিংসটি খেলার পথে শান্তর মতো দীর্ঘ এক অপেক্ষা ফুরিয়েছে লিটনেরও। ১৯ ইনিংস পর এই সংস্করণে ফিফটি পেয়েছেন তিনি। সর্বশেষটি করেছিলেন ২০২৩ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে।
লিটন-শান্তর জুটিটি এসেছে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে। কেননা টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩২ রানে নেই ৩ উইকেট।
সৌম্য সরকার ১৮ রান করতে পারলেও দুই ওপেনারের একজন তানজিদ হাসান তামিম করেছেন ১ রান। অপরদিকে সাইফ হাসান তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে আর মাত্র দুজন ব্যাটারই দুই অংকের ঘর স্পর্শ করতে পেরেছেন। মেহেদী হাসান মিরাজের ২২ রানের বিপরীতে অপরাজিত ৩৩ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। কিউদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন উইল ও’রুকি।
এর আগে মিরপুরে হওয়া দুই ওয়ানডেতে একটি করে ম্যাচে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ।










































