আজতেকা স্টেডিয়ামের গ্যালারি ঠাসা মেক্সিকান সমর্থকদের গগনবিদারি চিৎকারে কান পাতা দায়। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঢেউ তুলছিল মেক্সিকো।কিন্তু মাঠের ফুটবলে মাঝেমধ্যে সব হিসেব উল্টে যায় রূপকথার মতো। ঠিক তেমনই হলো; ম্যাচের স্রোতের বিপরীতে মেক্সিকোকে স্তব্ধ করে কেবল দুই মিনিটের ঝড়ে জোড়া গোল করে বসলেন জুড বেলিংহাম। মেক্সিকান দুর্গ কাঁপিয়ে প্রথমার্ধেই চালকের আসনে থ্রি লায়ন্সরা।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মেক্সিকোর আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়ে এক দুর্দান্ত প্রতিআক্রমণের সূচনা করেন ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।তার পা থেকে বল পেয়ে ডেকলান রাইস মধ্যমাঠ পেরিয়ে ডান প্রান্তে পাস বাড়ান বুকায়ো সাকার উদ্দেশ্যে। সাকা বক্সে নিখুঁত এক ক্রস ভাসান। বলটি অধিনায়ক হ্যারি কেইনের নাগাল না পেলেও সেখানে ওঁৎ পেতে ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বেলিংহাম। মেক্সিকান ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে দারুণ এক ডাইভিং হেডে বল জালে জড়ান তিনি।
সেই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই, ঠিক দুই মিনিট পর আবারও আজতেকা স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে দেয় ইংল্যান্ড। মেক্সিকোর কিক-অফের পরপরই তাদের রক্ষণভাগে হাই-প্রেস করে থ্রি লায়ন্সরা। মাঝমাঠে দুর্দান্ত লড়াই করে বল কেড়ে নেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। তাঁর পা থেকে বল পান হ্যারি কেইন। এবার আর নিজে শট না নিয়ে বক্সে ফাঁকায় থাকা বেলিংহামের দিকে নিখুঁত থ্রু বাড়ান কেইন।মেক্সিকান গোলরক্ষককে কোনো সুযোগ না দিয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি উদযাপন করেন বেলিংহাম।
৩৮ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবশ্য হাল ছাড়েনি মেক্সিকো। ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া স্বাগতিকরা ৪২ মিনিটে এক গোল পরিশোধ করে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয়। মেক্সিকোর হয়ে ব্যবধান কমানো গোলটি করেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। প্রথমার্ধের নাটকীয়তা শেষে বেলিংহামের জোড়ার ওপর ভর করেই ২-১ গোলের লিড ধরে রেখে বিশ্রামে গেছে ইংল্যান্ড।










































