ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো ধরনের দুঃসাহসিক পদক্ষেপের ‘কঠোর ও আনুপাতিক’ জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শনিবার (১ আগস্ট) তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
এদিকে এক দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে কঠোর আঘাত হানার হুমকি দেন। এর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলো তাদের নাগরিকদের প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ইরান বর্তমানে ‘ব্যাপক মূল্যস্ফীতির’ মুখে রয়েছে এবং তিনি ‘ইরানের মুদ্রাকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন’।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা করলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করা আঞ্চলিক দেশগুলোকেও সতর্ক করেছে ইরান।
শনিবার এক বিবৃতিতে ইরানের যুদ্ধকালীন সামরিক কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র দ্রুতগতিতে পুরো অঞ্চলকে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের রাজধানী, সম্পদ ও অবকাঠামোকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে এবং একই সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধযন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করছে।’
আবদোল্লাহি বলেন, ‘মুসলিম দেশগুলোকে দূরদর্শিতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা ও অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হবে।অন্যথায়, যে দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মতো আগ্রাসী শক্তির প্রতিরক্ষার ঢাল হবে, তাকে যুদ্ধের আগুনে পুড়তে হবে।’
তথ্যসূত্র : সিএনএন











































