ছবি : এআই
স্টাইলিশ লুকের জন্য সব সময় দামি বা ট্রেন্ডি পোশাকের প্রয়োজন হয় না। সঠিক অ্যাক্সেসরিজের (সাজসজ্জার অনুষঙ্গ) ব্যবহারেই একেবারে সাধারণ পোশাককে করে তোলা যায় পরিপাটি ও আকর্ষণীয়।জাঁকজমকপূর্ণ গয়না কিংবা প্রতিটি নতুন ট্রেন্ড না মেপে, কয়েকটি বাছাই করা অ্যাক্সেসরিজের সঠিক ব্যবহারই আপনার সাজে এনে দিতে পারে পরিমিত আভিজাত্য। চলুন, জেনে নিই।
স্ট্রাকচার্ড হ্যান্ডব্যাগ : নির্দিষ্ট আকারের ও পরিষ্কার শেপের একটি ব্যাগ খুব সহজেই সাধারণ পোশাকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। পোশাকের সঙ্গে সহজে মেলাতে কালো, বেজ বা বাদামি রঙের ব্যাগকে প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে।
স্টেটমেন্ট ইয়াররিং : সাধারণ পোশাকে নজরকাড়া ভাব আনতে হুপস, ড্রপস কিংবা কোনো ভাস্কর্যধর্মী নকশার স্টেটমেন্ট কানের দুল অত্যন্ত কার্যকর।
ক্লাসিক ঘড়ি : অতিরিক্ত অলংকরণ ছাড়া একটি সাধারণ ক্লাসিক ঘড়ি পুরো সাজে পরিপক্ব ও পরিশীলিত ভাব নিয়ে আসে।
বেল্ট : ড্রেস, ট্রাউজার্স বা ওভারসাইজড শার্টের সঙ্গে সঠিক বেল্ট পরলে তা কোমরের গঠন স্পষ্ট করার পাশাপাশি পোশাকে একটি সুন্দর শেপ নিয়ে আসে।
সানগ্লাস: মুখের আকৃতি অনুযায়ী সঠিক ফ্রেমের রোদচশমা যেকোনো ক্যাজুয়াল লুককে মুহূর্তেই স্মার্ট করে তোলে।
সিল্ক স্কার্ফ : পোশাকে বৈচিত্র্য আনতে গলায় জড়িয়ে, ব্যাগে বেঁধে কিংবা চুলে নানাভাবে ব্যবহার করা যায় একটি রঙের সিল্ক স্কার্ফ।
হেয়ার অ্যাক্সেসরিজ : দ্রুত তৈরি হওয়ার দিনে চুলের সাজ গোছানো রাখতে ক্লিপ, হেডব্যান্ড বা মিনিমাল ব্যারেট ব্যবহার করা যেতে পারে।
রিং ও ব্রেসলেট : হাতজুড়ে অনেক গয়না না পরে সূক্ষ্ম কয়েকটি আংটি কিংবা একটি সাধারণ ব্রেসলেট পরলেই সাজে প্রয়োজনীয় ডিটেইলিং চলে আসে।
ডেলিকেট লেয়ার্ড নেকলেস : সাজ অতিরিক্ত ভারী না করে পরিচ্ছন্ন ও ট্রেন্ডি লুক পেতে ভিন্ন দৈর্ঘ্যের দু-তিনটি সরু চেনের লেয়ার্ড নেকলেস বেছে নেওয়া যেতে পারে।
সূত্র : এই সময়











































