যুদ্ধের মধ্যেই নতুন গ্যাসের খনির সন্ধান পেল ইরান

ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক মাসের যুদ্ধের পর ইরানের জ্বালানি খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যেই দেশটি ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ বলেন, ‘ফার্স প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে এই নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান মিলেছে। ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘নতুন এই গ্যাসের মজুত বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্সের একটি পর্যায়ে ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান।ইরান ও কাতার যৌথভাবে এই গ্যাসক্ষেত্রটি ব্যবহার করে।’ পাকনেজাদ আরো জানান,  ইরান যত দ্রুত সম্ভব এই সম্পদ উত্তোলনের কাজ শুরু করতে চায়। তবে বাস্তবে গ্যাস উৎপাদন শুরু হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

যুদ্ধ শুরুর আগেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ইরানের জ্বালানি খাত সংকটে ছিল।ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া হামলা এবং সাউথ পার্সসহ বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামোতে বিমান হামলার কারণে ইরান তার দৈনিক গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ হারিয়েছে।

পরে কিছু উৎপাদন সক্ষমতা আবার চালু করা হলেও, সরকার চলতি শীতে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের জ্বালানি ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY