ঘিয়ে রঙের ব্রালেট-ধাঁচের ব্লাউজ়ের সঙ্গে ফিনফিনে জ্যাকেট ও স্কার্টে দেখা গিয়েছে কৃতিকে। রাখিবন্ধনের মতো উৎসবের সঙ্গে এই পোশাক কতটা মানানসই, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।
রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপন করতে গিয়ে বিপাকে কৃতি সেনন। তাঁর পোশাক নিয়ে কটাক্ষ করছেন নিন্দকেরা। ‘কেন এত খোলামেলা?’ সেই প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা।
একটি গয়নার ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে অভিনেত্রীর পোশাক নিয়ে সমাজমাধ্যমে নিন্দায় মুখর নেটাগরিকের একাংশ। ঘিয়ে রঙের ব্রালেট-ধাঁচের ব্লাউজ়ের সঙ্গে ফিনফিনে জ্যাকেট ও স্কার্টে দেখা গিয়েছে কৃতিকে। রাখিবন্ধনের মতো উৎসবের সঙ্গে এই পোশাক কতটা মানানসই, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ্যে আসার পরই সমাজমাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনা। একাংশের অভিযোগ, এমন ভাবনা ভারতীয় উৎসবের সঙ্গেই যেন মশকরা। কেউ কেউ আবার সরাসরি নিশানা করেছেন ওই নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রচারের নেপথ্যের ভাবনাকে। কৃতির পোশাককে ‘নিম্নরুচি’র এবং ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বলেও মন্তব্য করেছেন কয়েক জন।
তবে বিতর্ক শুধু কৃতির পোশাকেই থামেনি। বিজ্ঞাপনে একটি সারমেয়কেও রাখি পরাতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। তাকে পরিবারেরই এক জন সদস্য হিসাবে তার হাতে রাখি বাঁধেন কৃতি। নিন্দকদের এই দৃশ্যেও আপত্তি!
এক জন নিন্দক লিখেছেন, “গতকাল এই বিজ্ঞাপন দেখে আমি হতবাক। কী সব হচ্ছে!” অন্য এক জনের দাবি, এমন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্র্যান্ডগুলি প্রায়ই সীমা ছাড়িয়ে যায়, কারণ মানুষ প্রতিবাদ করেন না। আরও এক নেটাগরিকের প্রশ্ন, “পুজোর থালা কোথায়? ভাইয়ের সামনে অন্তর্বাসের মতো পোশাক পরে রয়েছেন কেন? এটা কি রাখিবন্ধন? কপালে তিলকই কোথায়?” অনেকেই আবার লিখেছেন, “সারমেয় নিয়ে এই বাড়াবাড়িটা না করলেই নয়।” নিন্দকদের বক্তব্য, রাখিবন্ধনের মতো ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের পোশাক ও উপস্থাপনার কোনও সামঞ্জস্য নেই। তবে পাল্টা মতও রয়েছে। কৃতির অনুরাগী ও পোষ্যপ্রেমীদের পছন্দ হয়েছে এই বিজ্ঞাপন। তাঁদের মতে, অনেকেই পোষ্যদের নিজেদের ভ্রাতৃসমই মনে করেন। ওরাও পরিবারের সদস্যই হয়ে ওঠে। সন্তানের মতো লালনপালন করা হয়। পোশাক নিয়েও কৃতির অনুরাগীরা কোনও আপত্তি জানাননি।
যদিও এখনও পর্যন্ত এই সমালোচনা নিয়ে কৃতি কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে বিজ্ঞাপনটি ঘিরে সমাজমাধ্যমে বিতর্ক বাড়ছে।










































