দীর্ঘ ১১ বছর পর নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির সাথে সমন্বয় করে বেতন-ভাতাও সমন্বয় করার আহবান জানানো হয়েছে।
কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক এবং মহাসচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১১ বছরের চাওয়া-পাওয়ার অবসান হলো ৩১ আগস্ট নবম পে স্কেলের অনুমোদনের মধ্যে দিয়ে। এই ১১ বছরে দুটি পে স্কেল থেকে বঞ্চিত প্রায় ২৩ লাখ কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও অবসরভোগীরা।
তারা বলেন, দীর্ঘ ১১ বছরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মৌলিক বেতনের কোনো বৃদ্ধি হয়নি, দ্রব্যমূলের উর্ধ্বগতির সাথে তাল মিলিয়ে অধিকাংশ কর্মচারীরা চলতে না পারায় নিষ্পেষিত হয়েছে।বিভিন্নভাবে ঋণগ্রস্ত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কর্মচারীদের চাওয়া পাওয়ার অবসান ঘটলো। ১ জুলাই থেকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা হিসাবে পে স্কেল প্রাপ্যতা নিশ্চয়তা দিলেন সরকার।
দেশের বিশাল আর্থিক ক্রাইসিসের মধ্যে থেকেও সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাওয়া পাওয়ায় কিছুটা ঘাটতি থাকলেও তথাপি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি পরিবার।তবে সরকারের প্রতি তাদের আহবান, দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির সাথে যাতে বেতন-ভাতা সমন্বয় করা হয়।
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ভাতাদি সংস্কার করার আহবান জানিয়ে তারা বলেন, তারা দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির মধ্যে দিয়ে চূড়ান্তভাবে পে স্কেল বাস্তবায়ন চান।









































