ছবি : রয়টার্স
নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় কিছু সময় বন্ধ থাকার পর নেপালে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির এক সেনা মুখপাত্র।
একই কারণে কিছু সময় বন্ধ থাকার পর চীনও ভাটির দিকে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু করেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
একটি হ্রদের পানি উপচে পড়ায় এবং নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে চীন ও নেপালের কর্মকর্তারা জানান, হ্রদের পানির স্তর কমতে শুরু করায় তাৎক্ষণিক ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে।ফলে নতুন করে বন্যার আশঙ্কাও কমে এসেছে।
এদিকে নেপালে বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলা থেকে বেশিরভাগ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া চিতওয়ান জেলাতেও মরদেহ পাওয়া গেছে।ওই এলাকায় ত্রিশূলী নদী সেতি গণ্ডকী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে, বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় তিব্বতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এখনও ওই অঞ্চলে ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
চীন সতর্ক করে বলেছে, ভূমিধসের পর তৈরি হওয়া একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে ভাটির দিকে নতুন করে বন্যা হতে পারে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে হ্রদটিতে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে।ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষে নদীর পথ আটকে গেলে এ ধরনের হ্রদ তৈরি হয়।
চীনের পানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই হ্রদটি উপচে পড়তে শুরু করেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, বৃহস্পতিবার থেকে সপ্তাহান্তের মধ্যে আরো প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে জমতে পারে। এতে হ্রদের বাঁধ ভেঙে নতুন বন্যার ঝুঁকি অনেক বেশি বলে সতর্ক করা হয়েছে।










































