রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে রাশিয়া-ইউক্রেনের হামলা-পালটা হামলা চলছে। এতে একদিনে ৭৫৫ জনেরও বেশি সেনাকে হারিয়েছে ইউক্রেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার কুরস্ক অঞ্চলে ৩৫০ জনেরও বেশি সেনাকে হারিয়েছে ইউক্রেন। এর মাধ্যমে ওই এলাকায় মোট ২০ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি লোককে হারিয়েছে ইউক্রেন।
শনিবার তাসের খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ান সামরিক বাহিনী নোভি পুটের দিকে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার পাঁচটি ইউক্রেনীয় প্রচেষ্টা প্রতিহত করেছে। গভর্নর আলেক্সি স্মিরনভ তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেছেন, রাশিয়ান সৈন্যরা কুরস্কের বিভিন্ন জায়গায় পুঁতে রাখা মাইনগুলো অপসারণ করতে শুরু করেছে।
রাশিয়ার সীমান্তরেখা কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের আক্রমণের উদ্দেশ্য ছিল কঠোর প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির যে কোনো সম্ভাবনাকে ব্যাহত করা। রাশিয়ান ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) ডিরেক্টর আলেকজান্ডার বোর্টনিকভ সিআইএস নিরাপত্তা প্রধানদের কাউন্সিলের বৈঠকে বলেছেন।
এদিকে ইঞ্জিনিয়ারিং সৈন্যরা কুরস্ক অঞ্চলে মাইন পরিষ্কার করতে শুরু করেছে। গভর্নর আলেক্সি স্মিরনভ তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে ঘোষণা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এ প্রচেষ্টা অবকাঠামো পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করতে এবং বাসিন্দাদের সুরক্ষা বাড়াতে সাহায্য করবে।
আগস্টের শুরুতে রাশিয়ার কুরস্কে হঠাৎ করে হামলা চালায় ইউক্রেনের সেনারা। এ সময় অঞ্চলটিতে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে দেশটির কয়েক হাজার সেনা।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানিয়েছে, কুরস্কে আসা ইউক্রেনের ২ হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া ধ্বংস করা হয়েছে ৪১টি ট্যাংক ও ৪০টি সাঁজোয়া যান।
এর আগে আগস্ট মাসে এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী ২৩টি ইনফ্রেন্টারি ফাইটিং যান, ২১৩টি সাঁজোয়া যুদ্ধযান, ১০২টি গাড়ি, চারটি ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী সিস্টেম, ছয়টি মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম, দুটি পরিবহণ এবং লোডিং গাড়ি, ২২টি ফিল্ড আর্টিলারি গান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন হারিয়েছে।
তবে ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার স্রিসকি জানান, আকস্মিক অভিযান শুরুর পর তারা কুরস্কের বেশ ভেতরে প্রবেশ করতে পেরেছেন। এরমধ্যে ১ হাজার ১৫০ স্কয়ার কিলোমিটার অঞ্চল এবং ৮২টি এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন তারা।











































