ছবি : বিসিবি
৮ বছর আগে এজবাস্টনে ভারতের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শেষ চারেই স্বপ্ন শেষ হয়েছিল বাংলাদেশের। আজ, সেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আবার শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্টের যাত্রা। দুবাইতে রোহিত-কোহলির দলকে মোকাবিলা করবে শান্ত-মুশফিকরা। মাঠে নামার আগেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের মনে রাখার মতো স্মৃতিও সেই সেমিফাইনালে খেলা।
সেবার বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বেই প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিল ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে। ইংলিশদের বিপক্ষে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশ পরের ম্যাচে বৃষ্টি আইনে মহামূল্যবান এক পয়েন্ট পায় অজিদের বিপক্ষে। পরের ম্যাচে কিউইদের হারালে এক জয় নিয়েই প্রথমবারের মতো শেষ চারে জায়গা পায় বাংলাদেশ।

এজবাস্টনের সেই সেমিফাইনালে ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ।রোহিত-কোহলিদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে মাশরাফির দল। তামিম-মুশফিকের ফিফটিতে বাংলাদেশ করেছিল ২৬৪ রান। ভারত লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ৯ উইকেট আর ৫৯ বল হাতে রেখে।
২০১৭ সালে সেমিফাইনালে ওঠা বাংলাদেশ এবার খেলছে ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।
২০০০ সালে কেনিয়ায় দ্বিতীয় আসরে প্রথমবারের মতো খেলতে নামে বাংলাদেশ। নকআউট কাঠামোর সেই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের কাছে বিদায় নেয় এক ম্যাচ খেলেই। দুই বছর পরে শ্রীলঙ্কায়ও একই ভাগ্য বরণ করতে হয় বাংলাদেশকে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গ্রুপ পর্বেই বিদায় ঘন্টা বাজে টাইগারদের।
২০০৪ সালেও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরে শূন্য হাতে বিদায় নিতে হয় রাজিন সালেহর দলকে।
এর দুই বছর পরে টুর্নামেন্টের মূল পর্বেই খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। ভারতে সেবার ছয় দল সরাসরি গ্রুপ পর্বে জায়গা পায়। চার দলকে খেলতে হয় কোয়ালিফাইং রাউন্ডে। সেখান থেকে দুটি দল যায় গ্রুপ পর্বে। শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাছাইয়ে হেরে যায় বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারালে বিদায় আর ঠেকানো যায়নি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রথম জয়ও এটাই ।
এর পর আরো দুটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন হয়েছে। ২০০৯ ও ২০১৩ সালে বাংলাদেশ জায়গা পায়নি দুই আসরেই। ২০১৭ সালে ১১ বছর পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ফিরেই সেমিতে উঠে বাংলাদেশ। এবার হয়তো আরো বড় প্রত্যাশা টাইগারদের। অন্তত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে যাওয়ার আগে তেমনই জানিয়েছিলেন কোচ-অধিনায়ক দুজনেই।










































