টানা দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ রংপুরের

সংগৃহীত ছবি

গ্লোবাল সুপার লিগে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের হাতছানি ছিল রংপুর রাইডার্সের সামনে। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তা বাস্তবে পরিণত করতে পারল না নুরুল হাসান সোহানের দল। স্বাগতিক গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের কাছে ৩২ রানে হেরে দ্বিতীয় আসরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো রংপুরকে।

প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৯৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে গায়ানা।

জবাবে খেলতে নেমে রংপুর গুটিয়ে যায় ১৬৪ রানে।

শুরু থেকেই বিপদে রংপুর। দ্বিতীয় বলেই স্টাম্পিং হতে বসেছিলেন ইব্রাহিম জাদরান, ভাগ্য সহায় থাকায় বেঁচে যান। তবে কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ওভারেই রান আউট হয়ে ফিরে যান এই ওপেনার (৫)।

এরপর একে একে ফিরেছেন সৌম্য সরকার (১৩) ও কাইল মেয়ার্স (৫)। দুজনেই বাজে শটে আত্মাহুতি দিয়েছেন।

তবে বিপর্যয়ের মাঝেও একটু আশার আলো জ্বেলেছিলেন সাইফ হাসান ও ইফতিখার আহমেদ। এই দুজনের ৭৩ রানের জুটিতে কিছুটা ম্যাচে ফিরে রংপুর।

কিন্তু রান নিতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন সাইফ (২৬ বলে ৪১)। হাফ সেঞ্চুরির পথে থাকা ইফতিখারও বেশিদূর যেতে পারেননি। ২৯ বলে ৪৬ করে এলবিডব্লিউ হন ডুয়াইন প্রিটোরিয়াসের বলে।

এরপর একপ্রান্ত ধরে রাখার মতো কেউ ছিলেন না। পরপর উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে রংপুর।

নুরুল হাসান নেমেই ক্যাচ দেন বোলার ইমরান তাহিরকেই। শেষ দিকে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ১৭ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস রংপুরের হারের ব্যবধানই কমিয়েছে কেবল। গুড়াকেশ মোতির বলে অঙ্কন ও কামরুল ইসলাম আউট হলে ১৬৪ রানেই থেমে যায় রংপুরের ইনিংস।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩ ওভারে ২০ রান তোলে গায়ানার দুই ওপেনার জনসন চার্লস ও এভিন লুইস। খালেদ আহমেদ চতুর্থ ওভারে ফিরিয়ে দেন লুইসকে (৫)।

লুইস ফেরার পর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন চার্লস। ষষ্ঠ ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে টানা চারটি চার মারেন তিনি। গুরবাজও হাত খুলে খেলেছেন। এই দুজনের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে ১০ ওভারে গায়ানা পৌঁছে যায় ৮০–তে।

চার্লস ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। গুরবাজ করেন ৩১ বলে। ১৫তম ওভারে চার্লস রিটায়ার্ড হন ৬৭ রান নিয়ে। গুরবাজকে (৬৬) ফিরিয়ে দেন তাবরাইজ শামসি। এরপর রানের খাতা খোলার আগেই স্টাম্পিংয়ে ফিরেন হেটমায়ার।

শেষ দিকে রাদারফোর্ড ১৫ বলে ১৯ ও রোমারিও শেফার্ডের ৯ বলে ২৮ রানের অপরাজিত ইনিংসের উপর ভর করে গায়ানা পায় ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ। 

রংপুরের পক্ষে একটি করে উইকেট নিয়েছেন খালেদ, শামসি ও ইফতিখার।

LEAVE A REPLY