নিজেদের ব্যাটিং ইনিংস শেষে বোলিংয়ের জন্য ৬ ওভার পেল বাংলাদেশ। তবে কোনো সাফল্যের দেখা পেল না স্বাগতিকেরা।পাকিস্তানের দুই ওপেনার শেষটা করল স্বস্তিতে।
প্রথম দিন শেষে বিনা উইকেটে ২১ রান করেছে পাকিস্তান। আগামীকাল ২৫৭ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করবেন দুই অপরাজিত ব্যাটার আজান ওয়াইস ও আবদুল্লাহ ফজল। আজানের ১৩ রানের বিপরীতে ৮ রান করেছেন ফজল।
এর আগে সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে অল্প রানে আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। তবে তা হতে দেননি লিটন দাস। দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন তিনি।
অথচ একটা সময় বাংলাদেশ দেড় শ রান করতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা জেগেছিল।কেননা ইনিংসের শুরু থেকেই ধাক্কা খাচ্ছিল বাংলাদেশ। শুরুটা হয়েছিল মাহমুদুল হাসান জয়ের ‘ডাক’ মারা দিয়ে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
লিটন যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন বাংলাদেশের দলীয় স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১০৬ রান। ক্রিজে নামার পর মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিদায়ও দেখলেন দ্রুত।স্বীকৃত ব্যাটার বলতে তখন শুধু তিনিই।
তবে অন্যরা উইকেটের মিছিলে যোগ দিলেও নিঃসঙ্গ শেরপার মতো লড়ে গেলেন লিটন। শুধু লড়লেন না প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল পানিও নামালেন তিনি। কাজটা করতে অবশ্য তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন বোলাররা। কেননা দলের সর্বোচ্চ ৬৪ রানের জুটিটি হয়েছে ৯ম উইকেটে। লিটনের সঙ্গী ছিলেন শরীফুল। তার আগে আরেকটি পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটি হয়েছে ৭ম উইকেটে। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ৬০ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
পরে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকালেন লিটন। মাঠের চতুর্দিকে মোহাম্মদ আব্বাস-খুররাম শেহজাদদের বল আছড়ে ফেললেন তিনি। সেঞ্চুরিটাও করেছেন দেখার মতো। তিন অংক স্পর্শ করতে যখন ১ রানের প্রয়োজন তখন শেহজাদকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ১২৬ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৬ চার ও ২ ছক্কায়।
লিটনের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন শেহজাদ। অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩টি নিয়েছেন আব্বাস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ৭৭ ওভারে ২৭৮ অলআউট (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯, তানজিদ ২৬, মুশফিক ২৩; খুররম ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫, হাসান ২/৪৯, সাজিদ ১/৯৬)।
পাকিস্তান ১ম ইনিংস : ৬ ওভারে ২১/০ (আজান ১৩*, ফজল ৮*; মিরাজ ০/০, শরীফুল ০/৬)।
* প্রথম দিন শেষে পাকিস্তান ২৫৭ রানে পিছিয়ে।










































