আগামী সেপ্টেম্বর মাসে টোকিওতে অনুষ্ঠিত হবে জাপান-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া। এতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘টাইফুন’ নামের মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে টোকিও। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হোনশু দ্বীপের ইওয়াকুনি শহরের মার্কিন ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়।
তবে বিষয়টিকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসাবে দেখছে চীন-রাশিয়া। টোকিওকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দেশ দুটি। এছাড়া টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বানও জানিয়েছে চীন-রাশিয়া।
শনিবার এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
শুক্রবার রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, জাপানে বা রাশিয়ার কাছাকাছি এলাকায় টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা মস্কোর জন্য সরাসরি কৌশলগত হুমকি।
জাখারোভা আরও বলেছেন, মস্কো লক্ষ করছে, ‘জাপান দ্রুত সামরিকীকরণের পথে হাঁটছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। একে আমরা অস্থিতিশীল করার আরেকটি পদক্ষেপ হিসাবে দেখি।’
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, জাপান যদি টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের সিদ্ধান্ত না বদলায়, তবে রাশিয়া ‘উপযুক্ত সামরিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা’ নিতে বাধ্য হবে। এই অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার জাপানকেই বহন করতে হবে বলেও জানিয়েছেন জাখারোভা।
এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন একই দিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের উচিত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা। উলটো তা নষ্ট না করা, এমনকি ক্ষেপণাস্ত্র সাময়িকভাবে মোতায়েন করে হলেও।
এছাড়া শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলতে, সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্ক থাকতে এবং এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক সমাজের আস্থা আরও হারানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াকুন।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, টাইফুনব্যবস্থা মূলত ওয়াশিংটনের সেই পরিকল্পনার অংশ, যার মাধ্যমে এশিয়ায় বিভিন্ন ধরনের জাহাজবিধ্বংসী অস্ত্র মোতায়েন করা হচ্ছে।











































