যেদিন টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়, সেদিন মিডল অর্ডার জ্বলে ওঠে। বোলার-ফিল্ডাররা তো প্রতিনিয়তই ভালো পারফর্ম করে যাচ্ছেন।
তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন—এই দক্ষিণ আফ্রিকাকে থামাবে কে?
গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের সবকটিতে জিতে সুপার এইটে পা রাখা দক্ষিণ আফ্রিকা এই পর্বেও শতভাগ সাফল্য ধরে রাখল। স্বাগতিক ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর জিম্বাবুয়েকেও হেসেখেলে হারাল প্রোটিয়ারা।
দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আজ টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান করে জিম্বাবুয়ে। দলকে বলতে গেলে একাই টেনেছেন অধিনায়ক সিাকান্দার রাজা (৪৩ বলে ৭৩ রান)। জবাবে ৫ উইকেট ও ১৩ বল হাতে রেখে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা।
গ্রুপ ১-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ গ্রুপ ২-এর রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে আগামী বুধবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে এই দুই দল।
এর আগে গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড। সেই ম্যাচে কিউইদের ৭ উইকেটে হারিয়েছিল প্রোটিয়ারা।
লক্ষ্য তাড়ায় আজ পাওয়ারপ্লেতে ৪৩ রানে ৩ উইকেটে হারালেও ডেভাল্ড ব্রেভিসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিমেষেই চাপ কাটিয়ে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা।
ব্রেভিস ১৮ বলে ৪২ রান করে আউট হলেও ততক্ষণে ম্যাচ প্রোটিয়াদের নিয়ন্ত্রণে এনে দেন। ডেভিড মিলার করেন ২২ রান।
বাকি কাজ সহজেই সারেন জর্জ লিন্ডা ও ট্রিস্টান স্টাবস।
ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও জ্বলে ওঠেন সিকান্দার রাজা। শিকার করেন ৩ উইকেট।
ম্যাচ হারলেও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটা রাজার হাতেই উঠেছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
জিম্বাবুয়ে: ২০ ওভারে ১৫৩/৭ (রাজা ৭৩, মাদান্দে ২৬*, বেনেট ১৫; মাফাকা ২/২১, বশ ২/৪০)।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৭.৫ ওভারে ১৫৪/৫ (ব্রেভিস ৪২, রিকেলটন ৩১, লিন্ডা ৩০*, মিলার ২২, স্টাবস ২১*; রাজা ৩/২৯)।
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সিকান্দার রাজা (জিম্বাবুয়ে)।










































