ছবি : রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযান ইরানে ‘শাসন পরিবর্তন’ ঘটেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এক মাসব্যাপী যুদ্ধে বহু ইরানি নেতা নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ইতোমধ্যেই শাসন পরিবর্তন হয়েছে।
নতুন নেতৃত্ব ‘অনেক বেশি যুক্তিসংগত।’
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা শাসন পরিবর্তন দেখেছি। আমরা এখন ভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলছি। আগে যাদের সঙ্গে কেউ কথা বলেনি, তারা এখন নেতৃত্বে।
এটাকেই আমি শাসন পরিবর্তন বলব।’
আগামী সপ্তাহেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি হতে পারে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরানে একটি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছি। এটি শিগগিরই হতে পারে।’
এদিকে তেহরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং ট্রাম্পের সঙ্গে গড়ে ওঠা যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয়ই আলোচনায় সহায়তার জন্য পাকিস্তানের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছে, এতে আমরা সন্তুষ্ট।’
তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘কূটনীতিতে ধোঁয়াশা তৈরিকে কৌশল’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন।
সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনায় দেওয়া বিবৃতিতে মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘শত্রু প্রকাশ্যে আলোচনা ও সংলাপের বার্তা দিচ্ছে, আর গোপনে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের লোকজন মার্কিন সেনাদের স্থলে আসার অপেক্ষায় আছে, যাতে তাদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া যায় এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের চূড়ান্তভাবে শাস্তি দেওয়া যায়।’
টানা কয়েক সপ্তাহের হামলায় ইরানের সাধারণ মানুষের ওপর বড় প্রভাব পড়েছে।
তেহরানের এক শিল্পী এএফপিকে বলেন, ‘শান্তিতে ঘুমানোর রাতকে আমি মিস করি।’ তিনি জানান, রাতের হামলা এতটাই তীব্র যে মনে হয় পুরো তেহরান কেঁপে উঠছে।
যুদ্ধটি এখন আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিয়েছে। তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণানি প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। এতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে।











































