ছবি : রয়টার্স
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আলোচনার জন্য শনিবার (২৩ মে) থেকে মঙ্গলবার (২৬ মে) পর্যন্ত বেইজিং সফর করবেন বলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে ইরানের যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে কি না, তা মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট করে বলেনি।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় সৃষ্ট মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে পাকিস্তান ও চীন উভয়ই মধ্যস্থতা করতে চেয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে চীন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বৃহস্পতিবার বলেন, চীন ও পাকিস্তানের নেতারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং।একই সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের ‘ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী’ ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।
গত মাসে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা আয়োজন করে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উঠে আসে। এদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনির বৃহস্পতিবার তেহরান সফরে যাওয়ার কথা ছিল। সংঘাতের সময় চীন তুলনামূলকভাবে নীরব কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে।বেইজিং মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনালাপ ও বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে।
গত সপ্তাহে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, শি হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথ কার্যত অচল হয়ে রয়েছে।
এর আগে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সঙ্গে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামাবাদকে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা আরো জোরদার করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ৮ এপ্রিল কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত আপাতত থেমে থাকলেও ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে।










































