সংগৃহীত ছবি
তামিলনাড়ু বিধানসভায় প্রথমবারের মতো সম্প্রসারণ হলো মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) লোক ভবনে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার ২১ জন টিভিকে বিধায়ক এবং দুজন কংগ্রেস বিধায়কসহ ২৩ জন নবনির্বাচিত মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান।মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
হিদুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’-এর পর তামিলনাড়ু রাজ্যের সংগীত বাজানো হয়। এতেই আবারও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের ক্রমানুসারে বাজানো হয়েছিল।‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘জন গণ মন’-এর পরে তামিল সংগীতটি হলেই শুরু হয় বিতর্ক। এ সময় বাম দলগুলো তার তীব্র বিরোধিতা করেছে। তাদের যুক্তি, অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘জন গণ মন’-এর পরে তামিল আবাহন সংগীতটি বাজানো উচিত হয়নি বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে বিষয়টি এবারই প্রথমবার সামনে আসেনি।এর আগেও একই ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ১০ মে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ এবং জাতীয় সংগীতের পর তৃতীয় গান হিসেবে ‘তামিল থাই ভাঝথু’ গাওয়া হয়েছিল বলে।
সাম্প্রতিক ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক এম ভীরাপান্ডিয়ান বলেছেন, তামিল জনগণের অনুভূতিকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং রাজ্য সংগীতকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
চেন্নাইয়ে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ভারতের জাতীয় গান ও জাতীয় সংগীতকে সম্মান করি। কিন্তু আমরা আবারও বলছি যে, রাজ্যপালের তামিল জাতীয় সংগীতকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
এদিকে সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক পি শানমুগাম বলেছেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হয়েছে। যিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন রাজ্যপালের উপস্থিতিতে সমস্ত অনুষ্ঠানে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজানো হবে।
শাসক দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম এই বিতর্ক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। দলটির নবনির্বাচিত মন্ত্রী আধব অর্জুন বলেছেন, তৃতীয় গান হিসেবে তামিল সংগীত বাজানোর সঙ্গে টিবিকেও একমত নয়। রাজ্যের প্রচলিত প্রতিষ্ঠিত প্রথাতেই সমর্থন রয়েছে।











































